ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

আইনি লড়াইয়ে স্বস্তি পেলেন সালমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

বলিউড ভাইজান সালমান খানের প্যানভেলের ফার্মহাউস নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এসেছে। অভিনেতার দায়ের করা মানহানি মামলায় বম্বে হাইকোর্ট থেকে বড় স্বস্তি পেলেন সালমান। সম্প্রতি আদালতের একক বেঞ্চ সালমানের প্রতিবেশী কেতন কক্কড়কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অভিনেতাকে নিয়ে করা সমস্ত বিতর্কিত পোস্ট ও ভিডিও অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

বিচারপতি শর্মিলা দেশমুখের একক বেঞ্চে এই হাইপ্রোফাইল মামলার শুনানি চলাকালীন আদালত জানায়, ব্যক্তিগত বা সম্পত্তি-সংক্রান্ত যেকোনো বিরোধের সমাধান সামাজিক মাধ্যমে কাদা ছোড়াছুড়ির মাধ্যমে নয়, বরং আইনি পথেই হওয়া উচিত।

আদালত আরও প্রশ্ন তোলে, বিষয়টি যখন আদালতের বিচারাধীন, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে নতুন করে চর্চা বা বিতর্ক তৈরি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। সোশ্যাল মিডিয়া কোনো ব্যক্তিগত ক্ষোভ উগরে দেওয়ার জায়গা নয়। আইনি লড়াই আদালতেই লড়তে হবে, সামাজিক মাধ্যমে নয়।

মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার প্যানভেলে অবস্থিত সালমানের বিলাসবহুল ‘অর্পিতা ফার্মস’-এর ঠিক পাশেই রয়েছে কেতন কক্কড়ের জমি। কেতনের অভিযোগ, এই ফার্মহাউস তৈরির সময় সালমান খান ও তার পরিবার একাধিক নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। শুধু তাই নয়, তার নিজস্ব জমিতে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

কেতনের অভিযোগ, এই বিষয়ে কথা বলতে গেলে প্রশাসনিকভাবে তাকে নানা ধরনের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের তালিকা এখানেই শেষ নয়। কেতন কক্কড় আরও দাবি করেন যে, তার জমিতে থাকা বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং তার সম্পত্তির কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এমনকি কিছু নথিতে কারচুপি করে জোরপূর্বক তার জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন।

তবে প্রতিবেশীর এই সমস্ত অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে উড়িয়ে দিয়েছে সালমান খানের আইনি দল। আদালতের কাছে অভিনেতার আইনজীবীরা দাবি করেন, কেতন কক্কড় যে জমিটি নিয়ে এত দাবি করছেন, সেই জমি সংক্রান্ত মূল লেনদেনটিই ছিল সম্পূর্ণ অবৈধ। আর সেই আইনি ত্রুটির কারণেই পরবর্তীতে তা বাতিল করা হয়েছিল; ফলে সেখানে জোর খাটানোর কোনো প্রশ্নই আসে না।

 

আইনি লড়াইয়ে স্বস্তি পেলেন সালমান

আইনি লড়াইয়ে স্বস্তি পেলেন সালমান

প্রকাশিত : ০৮:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

বলিউড ভাইজান সালমান খানের প্যানভেলের ফার্মহাউস নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এসেছে। অভিনেতার দায়ের করা মানহানি মামলায় বম্বে হাইকোর্ট থেকে বড় স্বস্তি পেলেন সালমান। সম্প্রতি আদালতের একক বেঞ্চ সালমানের প্রতিবেশী কেতন কক্কড়কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অভিনেতাকে নিয়ে করা সমস্ত বিতর্কিত পোস্ট ও ভিডিও অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

বিচারপতি শর্মিলা দেশমুখের একক বেঞ্চে এই হাইপ্রোফাইল মামলার শুনানি চলাকালীন আদালত জানায়, ব্যক্তিগত বা সম্পত্তি-সংক্রান্ত যেকোনো বিরোধের সমাধান সামাজিক মাধ্যমে কাদা ছোড়াছুড়ির মাধ্যমে নয়, বরং আইনি পথেই হওয়া উচিত।

আদালত আরও প্রশ্ন তোলে, বিষয়টি যখন আদালতের বিচারাধীন, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে নতুন করে চর্চা বা বিতর্ক তৈরি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। সোশ্যাল মিডিয়া কোনো ব্যক্তিগত ক্ষোভ উগরে দেওয়ার জায়গা নয়। আইনি লড়াই আদালতেই লড়তে হবে, সামাজিক মাধ্যমে নয়।

মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার প্যানভেলে অবস্থিত সালমানের বিলাসবহুল ‘অর্পিতা ফার্মস’-এর ঠিক পাশেই রয়েছে কেতন কক্কড়ের জমি। কেতনের অভিযোগ, এই ফার্মহাউস তৈরির সময় সালমান খান ও তার পরিবার একাধিক নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। শুধু তাই নয়, তার নিজস্ব জমিতে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

কেতনের অভিযোগ, এই বিষয়ে কথা বলতে গেলে প্রশাসনিকভাবে তাকে নানা ধরনের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের তালিকা এখানেই শেষ নয়। কেতন কক্কড় আরও দাবি করেন যে, তার জমিতে থাকা বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং তার সম্পত্তির কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এমনকি কিছু নথিতে কারচুপি করে জোরপূর্বক তার জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন।

তবে প্রতিবেশীর এই সমস্ত অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে উড়িয়ে দিয়েছে সালমান খানের আইনি দল। আদালতের কাছে অভিনেতার আইনজীবীরা দাবি করেন, কেতন কক্কড় যে জমিটি নিয়ে এত দাবি করছেন, সেই জমি সংক্রান্ত মূল লেনদেনটিই ছিল সম্পূর্ণ অবৈধ। আর সেই আইনি ত্রুটির কারণেই পরবর্তীতে তা বাতিল করা হয়েছিল; ফলে সেখানে জোর খাটানোর কোনো প্রশ্নই আসে না।