ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

কিশোরগঞ্জের সব ফেরি চলাচল বন্ধ,হাওরে পানিবৃদ্ধি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:১৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

গত ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে সব নদ-নদীর পানিবৃদ্ধি পেয়েছে। ঘোরাউত্রা, ধনুসহ বিভিন্ন নদীর পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গত কয়েকদিনে হাওরে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘাটের রাস্তা তলিয়ে গেছে। একারণে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর।

জানা গেছে, পানিবৃদ্ধির কারণে হাওরের সঙ্গে জেলার করিমগঞ্জের বালিখোলা ও চামড়াঘাট, মিঠামইনের শান্তিপুর ফেরিঘাট, ইটনার বড়িবাড়ি ও বলদা এবং জেলা বাজিতপুর উপজেলার পাটুলী ফেরিঘাটে সংযোগ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ফেরি চলাচল। ফেরি বন্ধ থাকায় এখন অনেকেই ছোট ছোট ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে ঘোরাউত্রা ও ধনু নদী পার হয়ে জেলা শহরে আসছেন।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাওরাঞ্চলে সব নদ-নদীর পানিবৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

ইটনা উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন বলেন, কয়েকদিন ধরে হাওরের নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজকে বাড়ি থেকে এসে দেখি ফেরিঘাটের রাস্তা তলিয়ে গেছে, যে কারণে ফেরি বন্ধ। আগে সহজেই ফেরি দিয়ে নদী পার হয়ে গাড়িতে করে শহরে আসতে পারতাম। ফেরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নৌকা দিয়ে কষ্ট করে শহরে আসতে হয়েছে।

বাজিতপুরের লিটন মিয়া বলেন, হাওরে পানি বাড়ায় ফেরিঘাট তলিয়ে গেছে। বন্ধ রয়েছে পাটুলীঘাটের ফেরি চলাচল। এতে আমাদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। এছাড়া মালামাল পরিবহনেও সমস্যা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, পানিবৃদ্ধির কারণে ফেরিঘাটের রাস্তা তলিয়ে গেছে। হাওরের ছয়টি ফেরিঘাটের মধ্যে আগেই পাঁচটি বন্ধ রয়েছে। আজ বাজিতপুরের পাটুলীঘাটেও ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রতিদিনই হাওরের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে, এখনও কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

 

কিশোরগঞ্জের সব ফেরি চলাচল বন্ধ,হাওরে পানিবৃদ্ধি

কিশোরগঞ্জের সব ফেরি চলাচল বন্ধ,হাওরে পানিবৃদ্ধি

প্রকাশিত : ১০:১৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

গত ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে সব নদ-নদীর পানিবৃদ্ধি পেয়েছে। ঘোরাউত্রা, ধনুসহ বিভিন্ন নদীর পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গত কয়েকদিনে হাওরে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘাটের রাস্তা তলিয়ে গেছে। একারণে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর।

জানা গেছে, পানিবৃদ্ধির কারণে হাওরের সঙ্গে জেলার করিমগঞ্জের বালিখোলা ও চামড়াঘাট, মিঠামইনের শান্তিপুর ফেরিঘাট, ইটনার বড়িবাড়ি ও বলদা এবং জেলা বাজিতপুর উপজেলার পাটুলী ফেরিঘাটে সংযোগ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ফেরি চলাচল। ফেরি বন্ধ থাকায় এখন অনেকেই ছোট ছোট ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে ঘোরাউত্রা ও ধনু নদী পার হয়ে জেলা শহরে আসছেন।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাওরাঞ্চলে সব নদ-নদীর পানিবৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

ইটনা উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন বলেন, কয়েকদিন ধরে হাওরের নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজকে বাড়ি থেকে এসে দেখি ফেরিঘাটের রাস্তা তলিয়ে গেছে, যে কারণে ফেরি বন্ধ। আগে সহজেই ফেরি দিয়ে নদী পার হয়ে গাড়িতে করে শহরে আসতে পারতাম। ফেরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নৌকা দিয়ে কষ্ট করে শহরে আসতে হয়েছে।

বাজিতপুরের লিটন মিয়া বলেন, হাওরে পানি বাড়ায় ফেরিঘাট তলিয়ে গেছে। বন্ধ রয়েছে পাটুলীঘাটের ফেরি চলাচল। এতে আমাদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। এছাড়া মালামাল পরিবহনেও সমস্যা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, পানিবৃদ্ধির কারণে ফেরিঘাটের রাস্তা তলিয়ে গেছে। হাওরের ছয়টি ফেরিঘাটের মধ্যে আগেই পাঁচটি বন্ধ রয়েছে। আজ বাজিতপুরের পাটুলীঘাটেও ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রতিদিনই হাওরের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে, এখনও কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।