ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

সেতুর সংযোগস্থলে গর্ত ও ফাঁটল, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:১২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
বরিশাল প্রতিনিধি: দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম এবং বরিশালের প্রবেশদ্বার বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (দোয়ারিকা) সেতুর মাঝখান ও উভয়প্রান্তের সংযোগ সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দীর্ঘদিন ধরে সেতুর সংযোগস্থলে সৃষ্টি হওয়া গর্ত, ফাঁটল এবং পিচ উঠে যাওয়া অংশ সংস্কার না করায় চরম দুর্ভোগে পরেছেন হাজারো যাত্রী ও যানবাহনের চালক।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর মাঝামাঝি ও সংযোগ অংশের বিভিন্নস্থানে গর্ত ও ফাঁটল সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে কংক্রিটের অংশ দৃশ্যমান হয়ে পরেছে। দ্রুতগতিতে চলাচলকারী যানবাহন এসব গর্তের সামনে পড়লে চালকদের হঠাৎ ব্রেক করতে হচ্ছে। এতে মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
বিশেষ করে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস এবং যাত্রীবাহী বাস চলাচলের সময় অতিরিক্ত ঝাঁকুনির সৃষ্টি হচ্ছে। ভারী যানবাহন গর্তে পরে ধাক্কা খাওয়ায় যানবাহনের যান্ত্রিক ক্ষতির পাশাপাশি সেতুর ওপর দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থায়ী সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। মাঝে মধ্যে অস্থায়ীভাবে কিছু মেরামতের কাজ করা হলেও তা অল্প সময়ের মধ্যেই আবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
নিয়মিত চলাচলকারী কয়েকজন চালকরা জানান, রাতের অন্ধকার কিংবা বৃষ্টির সময় গর্তগুলো স্পষ্ট দেখা যায় না। ফলে হঠাৎ ব্রেক করতে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। অনেক সময় যানবাহনের চাকা গর্তে আটকে বিকল হয়ে পরে, যার কারণে সেতুর ওপর দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসী সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ সড়ক দ্রুত টেকসইভাবে সংস্কার, গর্ত ও ফাঁটল মেরামত, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন এবং ভারী যানবাহন চলাচলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে ঘটাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে সিভিল সার্জনের জামিনা কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন, সেবার মান বাড়াতে তাগিদ

সেতুর সংযোগস্থলে গর্ত ও ফাঁটল, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

প্রকাশিত : ১০:১২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
বরিশাল প্রতিনিধি: দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম এবং বরিশালের প্রবেশদ্বার বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (দোয়ারিকা) সেতুর মাঝখান ও উভয়প্রান্তের সংযোগ সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দীর্ঘদিন ধরে সেতুর সংযোগস্থলে সৃষ্টি হওয়া গর্ত, ফাঁটল এবং পিচ উঠে যাওয়া অংশ সংস্কার না করায় চরম দুর্ভোগে পরেছেন হাজারো যাত্রী ও যানবাহনের চালক।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর মাঝামাঝি ও সংযোগ অংশের বিভিন্নস্থানে গর্ত ও ফাঁটল সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে কংক্রিটের অংশ দৃশ্যমান হয়ে পরেছে। দ্রুতগতিতে চলাচলকারী যানবাহন এসব গর্তের সামনে পড়লে চালকদের হঠাৎ ব্রেক করতে হচ্ছে। এতে মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
বিশেষ করে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস এবং যাত্রীবাহী বাস চলাচলের সময় অতিরিক্ত ঝাঁকুনির সৃষ্টি হচ্ছে। ভারী যানবাহন গর্তে পরে ধাক্কা খাওয়ায় যানবাহনের যান্ত্রিক ক্ষতির পাশাপাশি সেতুর ওপর দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থায়ী সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। মাঝে মধ্যে অস্থায়ীভাবে কিছু মেরামতের কাজ করা হলেও তা অল্প সময়ের মধ্যেই আবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
নিয়মিত চলাচলকারী কয়েকজন চালকরা জানান, রাতের অন্ধকার কিংবা বৃষ্টির সময় গর্তগুলো স্পষ্ট দেখা যায় না। ফলে হঠাৎ ব্রেক করতে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। অনেক সময় যানবাহনের চাকা গর্তে আটকে বিকল হয়ে পরে, যার কারণে সেতুর ওপর দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসী সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ সড়ক দ্রুত টেকসইভাবে সংস্কার, গর্ত ও ফাঁটল মেরামত, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন এবং ভারী যানবাহন চলাচলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে ঘটাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।