ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

পদত্যাগ করেছেন উদয়ন স্কুলের তদন্ত কমিটির দুই সদস্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সহপাঠী ছাত্রীদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও তৈরি এবং কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে কর্তৃপক্ষের চাপ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঘটনার তদন্তে স্কুল কর্তৃপক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহকারী প্রক্টর একেএম নুর আলম সিদ্দিকী ও এনামুল হক সজীবকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন। তবে কমিটির ভূমিকা নিয়ে আপত্তি জানায় আন্দোলনকারীরা।

পরে আন্দোলনকারীদের আপত্তির মুখে এতে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহকারী পদত্যাগ করেছেন। তাদের পরিবর্তে নতুন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য দুজনকে কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে বলে বুধবার (৪ নভেম্বর) জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আরিফ রহমান ।

এর আগে যৌন হয়রানির প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে আন্দোলন শুরু করেন। এদিন‘মেয়েদের নিরাপত্তা চাই, হয়রানিমুক্ত স্কুল চাই’সহ নানা স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। তবে আন্দোলন চলাকালে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাউকে সেখানে অবস্থান করতে দেখা যায়নি।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সহপাঠীদের যৌন হয়রানি ও এআই ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও তৈরি এবং বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করায় উল্টো ১০ জন শিক্ষার্থীর শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি স্থগিত করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, প্রক্টর অফিস ও স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নানাভাবে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়।

তাদের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী প্রভাবশালী শিক্ষকের সন্তান হওয়ায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রথমে ১০ জন শিক্ষার্থীকে ক্লাস ও পরীক্ষা থেকে বিরত রাখা হলেও অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে তাদের আলাদা কক্ষে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, তবে শ্রেণিকক্ষে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগ করেছেন উদয়ন স্কুলের তদন্ত কমিটির দুই সদস্য

পদত্যাগ করেছেন উদয়ন স্কুলের তদন্ত কমিটির দুই সদস্য

প্রকাশিত : ১২:০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সহপাঠী ছাত্রীদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও তৈরি এবং কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে কর্তৃপক্ষের চাপ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঘটনার তদন্তে স্কুল কর্তৃপক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহকারী প্রক্টর একেএম নুর আলম সিদ্দিকী ও এনামুল হক সজীবকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন। তবে কমিটির ভূমিকা নিয়ে আপত্তি জানায় আন্দোলনকারীরা।

পরে আন্দোলনকারীদের আপত্তির মুখে এতে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহকারী পদত্যাগ করেছেন। তাদের পরিবর্তে নতুন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য দুজনকে কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে বলে বুধবার (৪ নভেম্বর) জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আরিফ রহমান ।

এর আগে যৌন হয়রানির প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে আন্দোলন শুরু করেন। এদিন‘মেয়েদের নিরাপত্তা চাই, হয়রানিমুক্ত স্কুল চাই’সহ নানা স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। তবে আন্দোলন চলাকালে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাউকে সেখানে অবস্থান করতে দেখা যায়নি।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সহপাঠীদের যৌন হয়রানি ও এআই ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও তৈরি এবং বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করায় উল্টো ১০ জন শিক্ষার্থীর শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি স্থগিত করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, প্রক্টর অফিস ও স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নানাভাবে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়।

তাদের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী প্রভাবশালী শিক্ষকের সন্তান হওয়ায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রথমে ১০ জন শিক্ষার্থীকে ক্লাস ও পরীক্ষা থেকে বিরত রাখা হলেও অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে তাদের আলাদা কক্ষে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, তবে শ্রেণিকক্ষে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়নি।