ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

মহালছড়ির ঘাটঘর পাড়া জনমৈত্রী বৌদ্ধ বিহারে ৯ম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি ইউনিয়নের ক্যায়াংঘাট এলাকার ঘাটঘর পাড়া জনমৈত্রী বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে রোববার (৮ নভেম্বর) ৯ম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাথের। সভাপতিত্ব করেন ভদন্ত: অবাসা ভান্তে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত: উপেদিতা মহাথের ও ভদন্ত: কল্যাণদীপ থের।
অনুষ্ঠানে সংঘদান, কল্পতরু দান, অষ্টপরিষ্কার দান ও বুদ্ধমূর্তি দানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় দান ও পুণ্যকর্মের আয়োজন করা হয়।

বক্তারা বলেন, কঠিন চীবর দান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মহাপুণ্যময় দান। এটি ভিক্ষুসংঘের প্রতি শ্রদ্ধা, ভক্তি ও দানশীলতার প্রকাশ। তারা আরও বলেন, বৌদ্ধ ধর্ম শান্তি, মৈত্রী, করুণা ও অহিংসার ধর্ম। এ ধর্মের মূল শিক্ষা হলো সকল প্রাণীর প্রতি দয়া, সহমর্মিতা ও ভালোবাসা প্রদর্শন করা। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এদিকে রাতে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে কঠিন চীবর দান এবং আকাশ প্রদীপ ওড়ানোর আয়োজন করা হবে। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বশান্তি, সকল প্রাণীর সুখ-শান্তি ও মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়ির ঘাটঘর পাড়া জনমৈত্রী বৌদ্ধ বিহারে ৯ম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

মহালছড়ির ঘাটঘর পাড়া জনমৈত্রী বৌদ্ধ বিহারে ৯ম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : ০৯:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি ইউনিয়নের ক্যায়াংঘাট এলাকার ঘাটঘর পাড়া জনমৈত্রী বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে রোববার (৮ নভেম্বর) ৯ম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাথের। সভাপতিত্ব করেন ভদন্ত: অবাসা ভান্তে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত: উপেদিতা মহাথের ও ভদন্ত: কল্যাণদীপ থের।
অনুষ্ঠানে সংঘদান, কল্পতরু দান, অষ্টপরিষ্কার দান ও বুদ্ধমূর্তি দানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় দান ও পুণ্যকর্মের আয়োজন করা হয়।

বক্তারা বলেন, কঠিন চীবর দান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মহাপুণ্যময় দান। এটি ভিক্ষুসংঘের প্রতি শ্রদ্ধা, ভক্তি ও দানশীলতার প্রকাশ। তারা আরও বলেন, বৌদ্ধ ধর্ম শান্তি, মৈত্রী, করুণা ও অহিংসার ধর্ম। এ ধর্মের মূল শিক্ষা হলো সকল প্রাণীর প্রতি দয়া, সহমর্মিতা ও ভালোবাসা প্রদর্শন করা। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এদিকে রাতে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে কঠিন চীবর দান এবং আকাশ প্রদীপ ওড়ানোর আয়োজন করা হবে। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বশান্তি, সকল প্রাণীর সুখ-শান্তি ও মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করবেন।