ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

আরাকান আর্মির দখলে কবরস্থান, দুই পক্ষের বলি রোহিঙ্গারা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৪৫ বার দেখা হয়েছে

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) ক্রমবর্ধমান বর্বরতার শিকার হচ্ছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ উঠেছে, রাখাইনে কবরস্থানও ধ্বংস করে দখলে নিচ্ছে আরাকান আর্মি এবং মৃতদেহ দাফন করতে হচ্ছে ধানক্ষেতে। এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মি, উভয় পক্ষের সংঘাতের মাঝে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) একটি প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

বুথিডংয়ের কিন টং গ্রামের দুই বাসিন্দা এইচআরডব্লিউকে জানিয়েছেন, গত মে মাসে আরাকান আর্মি তাদের কবরস্থানটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে। এরপর তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এখন থেকে মৃতদেহ ধানক্ষেতেই দাফন করতে হবে।

এইচআরডব্লিউ এর তথ্যানুযায়ী, আরাকান আর্মির দখলকৃত এলাকাগুলোতে রোহিঙ্গাদের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাড়িঘর লুটপাট, নির্বিচারে আটক ও খারাপ আচরণ, বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োগ এবং জোরপূর্বক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার মতো নানা নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।

বুথিডংয়ের কিন টং গ্রামের দুই বাসিন্দা এইচআরডব্লিউকে জানিয়েছেন, গত মে মাসে আরাকান আর্মি তাদের কবরস্থানটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে। এরপর তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এখন থেকে মৃতদেহ ধানক্ষেতেই দাফন করতে হবে।

এইচআরডব্লিউ এর তথ্যানুযায়ী, আরাকান আর্মির দখলকৃত এলাকাগুলোতে রোহিঙ্গাদের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাড়িঘর লুটপাট, নির্বিচারে আটক ও খারাপ আচরণ, বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োগ এবং জোরপূর্বক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার মতো নানা নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ৯ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে বিআরটিএ’র লাল পতাকা

আরাকান আর্মির দখলে কবরস্থান, দুই পক্ষের বলি রোহিঙ্গারা

প্রকাশিত : ০৫:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) ক্রমবর্ধমান বর্বরতার শিকার হচ্ছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ উঠেছে, রাখাইনে কবরস্থানও ধ্বংস করে দখলে নিচ্ছে আরাকান আর্মি এবং মৃতদেহ দাফন করতে হচ্ছে ধানক্ষেতে। এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মি, উভয় পক্ষের সংঘাতের মাঝে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) একটি প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

বুথিডংয়ের কিন টং গ্রামের দুই বাসিন্দা এইচআরডব্লিউকে জানিয়েছেন, গত মে মাসে আরাকান আর্মি তাদের কবরস্থানটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে। এরপর তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এখন থেকে মৃতদেহ ধানক্ষেতেই দাফন করতে হবে।

এইচআরডব্লিউ এর তথ্যানুযায়ী, আরাকান আর্মির দখলকৃত এলাকাগুলোতে রোহিঙ্গাদের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাড়িঘর লুটপাট, নির্বিচারে আটক ও খারাপ আচরণ, বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োগ এবং জোরপূর্বক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার মতো নানা নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।

বুথিডংয়ের কিন টং গ্রামের দুই বাসিন্দা এইচআরডব্লিউকে জানিয়েছেন, গত মে মাসে আরাকান আর্মি তাদের কবরস্থানটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে। এরপর তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এখন থেকে মৃতদেহ ধানক্ষেতেই দাফন করতে হবে।

এইচআরডব্লিউ এর তথ্যানুযায়ী, আরাকান আর্মির দখলকৃত এলাকাগুলোতে রোহিঙ্গাদের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাড়িঘর লুটপাট, নির্বিচারে আটক ও খারাপ আচরণ, বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োগ এবং জোরপূর্বক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার মতো নানা নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।