ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

পটুয়াখালীতে বর্নাঢ্য আয়োজনে সেচ্ছাসেবকদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:১৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪১৪ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীতে বর্নাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবকদলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১টায় সার্কিট হাউজ পুকুরের পাশে বৃক্ষরোপণ ও শহীদ হৃদয় তরুয়া চত্ত্বরে বেলুন উড়িয়ে শুভ সুচনা করেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মশিউর রহমান মিলন ও সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোহন। এরপর শান্তির পায়রা উড়িয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় জেলা বিএনপি ও সেচ্ছাসেবকদলের নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন। এসময় বক্তারা দলটির গৌরব, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের পটভূমি তুলে ধরেন।


পরে সেখান থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে লঞ্চঘাট চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়। আনন্দ শোভাযাত্রায় ঘোড়াসহ ঢাকঢোল পিটিয়ে নেচেগেয়ে উল্লাস প্রকাশ করা হয়।

পিরোজপুর-মঠবাড়িয়া সড়কের দেবীপুর নামক স্থানে মালবাহী ট্রাক নিয়ে বেইলী ব্রিজ ভেঙে মঠবাড়িয়া উপজেলার সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

পটুয়াখালীতে বর্নাঢ্য আয়োজনে সেচ্ছাসেবকদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত : ০৫:১৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীতে বর্নাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবকদলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১টায় সার্কিট হাউজ পুকুরের পাশে বৃক্ষরোপণ ও শহীদ হৃদয় তরুয়া চত্ত্বরে বেলুন উড়িয়ে শুভ সুচনা করেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মশিউর রহমান মিলন ও সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোহন। এরপর শান্তির পায়রা উড়িয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় জেলা বিএনপি ও সেচ্ছাসেবকদলের নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন। এসময় বক্তারা দলটির গৌরব, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের পটভূমি তুলে ধরেন।


পরে সেখান থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে লঞ্চঘাট চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়। আনন্দ শোভাযাত্রায় ঘোড়াসহ ঢাকঢোল পিটিয়ে নেচেগেয়ে উল্লাস প্রকাশ করা হয়।