ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

চসিকের অভিযান রাজস্ব আদায়ে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০২:১৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১১ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের এনায়েত বাজারের জুবলি রোড এলাকায় ২ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭০ টাকার রাজস্ব আদায় করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় চাকমা। অভিযানে গৃহকর না দেওয়া একটি স্থাপনা থেকে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার ২০০ টাকা এবং ট্রেড লাইসেন্সের ফি না দেওয়া ৭ জন ব্যবসায়ী থেকে ২০ হাজার ৩৭০ টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করেন ম্যাজিস্ট্রেট।

চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা জানান, আজ গৃহকর না দেওয়া একটি স্থাপনা থেকে আমরা ২ লক্ষ ৬৫ হাজার ২০০ টাকা এবং ট্রেড লাইসেন্সের ফি না দেওয়া ৭ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২০ হাজার ৩৭০ টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করেছি। অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের মাঝে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেছি আমরা। পাশাপাশি বিভিন্ন ভবন মালিকদের সময়মতো গৃহকর প্রদানের বিষয়ে জানিয়েছি।

চসিক সূত্রে জানা যায়, চসিকের রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। অভিযানে চসিকের কর অঞ্চল-৫ এর কর কর্মকর্তা, ট্যাক্স কালেক্টর, লাইসেন্স পরিদর্শক, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মচারীবৃন্দ মোবাইল কোর্টকে সহায়তা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চসিকের অভিযান রাজস্ব আদায়ে

প্রকাশিত : ০২:১৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম নগরের এনায়েত বাজারের জুবলি রোড এলাকায় ২ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭০ টাকার রাজস্ব আদায় করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় চাকমা। অভিযানে গৃহকর না দেওয়া একটি স্থাপনা থেকে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার ২০০ টাকা এবং ট্রেড লাইসেন্সের ফি না দেওয়া ৭ জন ব্যবসায়ী থেকে ২০ হাজার ৩৭০ টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করেন ম্যাজিস্ট্রেট।

চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা জানান, আজ গৃহকর না দেওয়া একটি স্থাপনা থেকে আমরা ২ লক্ষ ৬৫ হাজার ২০০ টাকা এবং ট্রেড লাইসেন্সের ফি না দেওয়া ৭ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২০ হাজার ৩৭০ টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করেছি। অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের মাঝে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেছি আমরা। পাশাপাশি বিভিন্ন ভবন মালিকদের সময়মতো গৃহকর প্রদানের বিষয়ে জানিয়েছি।

চসিক সূত্রে জানা যায়, চসিকের রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। অভিযানে চসিকের কর অঞ্চল-৫ এর কর কর্মকর্তা, ট্যাক্স কালেক্টর, লাইসেন্স পরিদর্শক, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মচারীবৃন্দ মোবাইল কোর্টকে সহায়তা করেন।