ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা ছাড়লেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:১৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৮৫ বার দেখা হয়েছে

দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকা ছেড়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম. তৌহিদ হোসেন বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।এ সময় বিমানবন্দরে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

বিদায়ের আগে রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল অনুযায়ী ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে ‘স্ট্যাটিক গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

শেরিং তোবগের ঢাকা সফরে দুই দেশ দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। একটি স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত এবং অন্যটি ইন্টারনেট সংযোগ সংক্রান্ত। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাসহ একাধিক অনুষ্ঠানেও অংশ নেন।

তার কর্মসূচিতে উপদেষ্টা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের সাথে বৈঠকও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবীদ্বারে মাদকবিরোধী র‍্যালী ও সমাবেশ:“এখনই মাদককে না বলার দৃঢ় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।”- ইউএনও অশোক বিক্রম চাকমা

ঢাকা ছাড়লেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৭:১৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকা ছেড়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম. তৌহিদ হোসেন বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।এ সময় বিমানবন্দরে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

বিদায়ের আগে রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল অনুযায়ী ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে ‘স্ট্যাটিক গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

শেরিং তোবগের ঢাকা সফরে দুই দেশ দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। একটি স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত এবং অন্যটি ইন্টারনেট সংযোগ সংক্রান্ত। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাসহ একাধিক অনুষ্ঠানেও অংশ নেন।

তার কর্মসূচিতে উপদেষ্টা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের সাথে বৈঠকও অন্তর্ভুক্ত ছিল।