ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

ফুটপাতে গরম পোশাকের বিক্রি কম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:২৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

দিনের বেলা গরম থাকলেও সন্ধ্যা নামলেই রাজধানীতে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। তবে এই ঠান্ডা এখনো জ্যাকেট বা ভারী শীতবস্ত্র পরার মতো তীব্র হয়নি। এমন আবহাওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন ফুটপাতজুড়ে এখন শীতবস্ত্রের অস্থায়ী দোকান বসে গেছে। পুরোপুরি শীত নামার আগেই ফুটপাতের বিক্রেতারা আগেভাগে তাদের এই মৌসুমি দোকান সাজিয়ে নিয়েছেন।

ব্যস্ত নগরীর মোড়, বড় বড় মার্কেটসংলগ্ন পথ, ফ্লাইওভারের নিচে, গলিপথ সব জায়গাতেই এখন চোখে পড়ে অস্থায়ী দোকান। জ্যাকেট, সোয়েটার, মাফলার, টুপি, গ্লাভসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরনের শীতের কাপড় সাজানো আছে তাদের ভ্যান, কাঠের ট্রলি স্টিলের গোল আলনাতে। দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষ থেকে মধ্যবিত্ত ক্রেতা সবার পদচারণাই চোখে পড়ে এসব দোকানে।

ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঢাকায় শীত এখনো শুরু হয়নি। তাই বিক্রি হালকা-পাতলাই চলছে। গত একমাস ধরেই তারা শীতের কাপড় সাজিয়েছেন। অফিসগামী অনেকেই পথে যেতেই দেখে কিনে নিচ্ছেন আবার কেউ শুধু দেখে চলে যাচ্ছেন। সন্ধ্যার দিকে চাকরিজীবীদের ভিড় তুলনামূলক বেশি থাকে বলে জানান তারা। বড় মার্কেটে দামের চাপ থাকায় ফুটপাতেই এসব ক্রেতার প্রথম পছন্দ। কারণ এখানে সাশ্রয়ে পাওয়া যায় দৈনন্দিন ব্যবহার্য শীতবস্ত্র।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাত ও সড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব দোকান বসেছে। ছোট-বড় সব বয়সিদের শীতের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে এখানে। মান ও ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে এসব পোশাকের দাম ২০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঠান্ডা পুরোপুরি না নেমে এলেও অনেকেই আগে থেকেই প্রয়োজনীয় কিছু শীতের কাপড় কিনে রাখছেন, যেন হঠাৎ ঠান্ডা পড়লে তাড়াহুড়ো করে বাইরে বের হতে না হয়। তাদের মতে, এখন দাম তুলনামূলক কম, তাই আগেভাগেই কিনে নেওয়াই সুবিধাজনক।

অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আবহাওয়া আরও ঠান্ডা হলে ফুটপাতের এসব দোকানে ক্রেতাদের ভিড় স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে বিক্রি আরও জোরেশোরে শুরু হতে পারে, আর তখনই আসল মৌসুমি জমজমাট অবস্থা দেখা যাবে।

ফুটপাতে গরম পোশাকের বিক্রি কম

প্রকাশিত : ১০:২৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

দিনের বেলা গরম থাকলেও সন্ধ্যা নামলেই রাজধানীতে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। তবে এই ঠান্ডা এখনো জ্যাকেট বা ভারী শীতবস্ত্র পরার মতো তীব্র হয়নি। এমন আবহাওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন ফুটপাতজুড়ে এখন শীতবস্ত্রের অস্থায়ী দোকান বসে গেছে। পুরোপুরি শীত নামার আগেই ফুটপাতের বিক্রেতারা আগেভাগে তাদের এই মৌসুমি দোকান সাজিয়ে নিয়েছেন।

ব্যস্ত নগরীর মোড়, বড় বড় মার্কেটসংলগ্ন পথ, ফ্লাইওভারের নিচে, গলিপথ সব জায়গাতেই এখন চোখে পড়ে অস্থায়ী দোকান। জ্যাকেট, সোয়েটার, মাফলার, টুপি, গ্লাভসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরনের শীতের কাপড় সাজানো আছে তাদের ভ্যান, কাঠের ট্রলি স্টিলের গোল আলনাতে। দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষ থেকে মধ্যবিত্ত ক্রেতা সবার পদচারণাই চোখে পড়ে এসব দোকানে।

ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঢাকায় শীত এখনো শুরু হয়নি। তাই বিক্রি হালকা-পাতলাই চলছে। গত একমাস ধরেই তারা শীতের কাপড় সাজিয়েছেন। অফিসগামী অনেকেই পথে যেতেই দেখে কিনে নিচ্ছেন আবার কেউ শুধু দেখে চলে যাচ্ছেন। সন্ধ্যার দিকে চাকরিজীবীদের ভিড় তুলনামূলক বেশি থাকে বলে জানান তারা। বড় মার্কেটে দামের চাপ থাকায় ফুটপাতেই এসব ক্রেতার প্রথম পছন্দ। কারণ এখানে সাশ্রয়ে পাওয়া যায় দৈনন্দিন ব্যবহার্য শীতবস্ত্র।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাত ও সড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব দোকান বসেছে। ছোট-বড় সব বয়সিদের শীতের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে এখানে। মান ও ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে এসব পোশাকের দাম ২০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঠান্ডা পুরোপুরি না নেমে এলেও অনেকেই আগে থেকেই প্রয়োজনীয় কিছু শীতের কাপড় কিনে রাখছেন, যেন হঠাৎ ঠান্ডা পড়লে তাড়াহুড়ো করে বাইরে বের হতে না হয়। তাদের মতে, এখন দাম তুলনামূলক কম, তাই আগেভাগেই কিনে নেওয়াই সুবিধাজনক।

অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আবহাওয়া আরও ঠান্ডা হলে ফুটপাতের এসব দোকানে ক্রেতাদের ভিড় স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে বিক্রি আরও জোরেশোরে শুরু হতে পারে, আর তখনই আসল মৌসুমি জমজমাট অবস্থা দেখা যাবে।