ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

উপদেষ্টার পরামর্শ ২০ শতাংশ পরিবহন রেল-নৌপথে নেওয়ার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:৩৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ২ বার দেখা হয়েছে

রেল ও সড়ক খাতে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অপচয় আর অযৌক্তিক প্রকল্পের সমালোচনা করেছেন রেল, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

তার মতে, শুধু সড়ক ৮ লেন থেকে ১০ লেন করলেই যানজট কমবে- এ ধারণা ভুল। সড়কের ওপর চাপ কমাতে পণ্য ও যাত্রী পরিবহনের অন্তত ২০ শতাংশ রেল ও নৌপথে নিতে হবে।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে সড়ক ভবনে সড়ক বিভাগ ও রেল কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নতুন কালুরঘাট সেতুর কাজ চলমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, নদীর গতিপথ দ্রুত বদলায়, তাই পরিকল্পনা নিতে হবে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে। অতীতে নিচ দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে না পারায় অনেক সেতু পুনরায় ঠিক করতে হয়েছে। কালুরঘাট সেতু নদী শাসনের ওপর ভিত্তি করে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ৩৭৫ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেছি। তাই এক-দুই হাজার কোটি টাকাকে ছোট করে দেখা যাবে না।’ জমির বহুমুখী ব্যবহার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সড়কের জন্য জমি পাওয়া এখন সহজ নয়; তাই সব সিদ্ধান্ত নিতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী, হিসাব–নিকাশ করে।

সভায় তিনি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতা কমানো এবং সময়মতো কাজ শেষ করার ওপর গুরুত্ব দেন।

উপদেষ্টার পরামর্শ ২০ শতাংশ পরিবহন রেল-নৌপথে নেওয়ার

প্রকাশিত : ০৮:৩৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

রেল ও সড়ক খাতে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অপচয় আর অযৌক্তিক প্রকল্পের সমালোচনা করেছেন রেল, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

তার মতে, শুধু সড়ক ৮ লেন থেকে ১০ লেন করলেই যানজট কমবে- এ ধারণা ভুল। সড়কের ওপর চাপ কমাতে পণ্য ও যাত্রী পরিবহনের অন্তত ২০ শতাংশ রেল ও নৌপথে নিতে হবে।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে সড়ক ভবনে সড়ক বিভাগ ও রেল কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নতুন কালুরঘাট সেতুর কাজ চলমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, নদীর গতিপথ দ্রুত বদলায়, তাই পরিকল্পনা নিতে হবে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে। অতীতে নিচ দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে না পারায় অনেক সেতু পুনরায় ঠিক করতে হয়েছে। কালুরঘাট সেতু নদী শাসনের ওপর ভিত্তি করে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ৩৭৫ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেছি। তাই এক-দুই হাজার কোটি টাকাকে ছোট করে দেখা যাবে না।’ জমির বহুমুখী ব্যবহার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সড়কের জন্য জমি পাওয়া এখন সহজ নয়; তাই সব সিদ্ধান্ত নিতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী, হিসাব–নিকাশ করে।

সভায় তিনি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতা কমানো এবং সময়মতো কাজ শেষ করার ওপর গুরুত্ব দেন।