ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

লিখিত পরীক্ষা প্রক্সি দিয়ে পাস করার পর মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে দুই পরীক্ষার্থীকে আটক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:৩১:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস করার পর মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে প্রশাসন।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভাইভায় প্রক্সির বিষয়টি ফাঁস হয়। আটকরা হলেন, ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি চিলাহাটি এলাকার শাহাদাত হোসেনের ছেলে মো.হৃদয় ইসলাম (১৯) এবং ডিমলা উপজেলার সুন্দরখাতা বালাপাড়া এলাকার মো. বাবুল হোসেন (৩০)।

জানা যায়, ভাইভা বোর্ডে আসার পর তাদের হাতের লেখার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার খাতার লেখা মিলিয়ে দেখা হয়। হাতের লেখায় অমিল থাকায় সন্দেহ তৈরি হলে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন যে তারা নিজেরা পরীক্ষা দেয়নি। তাদের লিখিত পরীক্ষা অন্যরা দিয়েছেন এবং তারা পাস করছেন।

আরও জানা যায়, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় অফিস সহায়ক পদে ৪২টি শূন্যপদের বিপরীতে ১৩০ জন, নিরাপত্তা প্রহরীর ৩ পদের বিপরীতে ৯ জন এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী ১ পদের বিপরীতে ৩ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, দুই পরীক্ষার্থীকে জেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

 

লিখিত পরীক্ষা প্রক্সি দিয়ে পাস করার পর মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে দুই পরীক্ষার্থীকে আটক

প্রকাশিত : ১১:৩১:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস করার পর মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে প্রশাসন।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভাইভায় প্রক্সির বিষয়টি ফাঁস হয়। আটকরা হলেন, ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি চিলাহাটি এলাকার শাহাদাত হোসেনের ছেলে মো.হৃদয় ইসলাম (১৯) এবং ডিমলা উপজেলার সুন্দরখাতা বালাপাড়া এলাকার মো. বাবুল হোসেন (৩০)।

জানা যায়, ভাইভা বোর্ডে আসার পর তাদের হাতের লেখার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার খাতার লেখা মিলিয়ে দেখা হয়। হাতের লেখায় অমিল থাকায় সন্দেহ তৈরি হলে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন যে তারা নিজেরা পরীক্ষা দেয়নি। তাদের লিখিত পরীক্ষা অন্যরা দিয়েছেন এবং তারা পাস করছেন।

আরও জানা যায়, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় অফিস সহায়ক পদে ৪২টি শূন্যপদের বিপরীতে ১৩০ জন, নিরাপত্তা প্রহরীর ৩ পদের বিপরীতে ৯ জন এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী ১ পদের বিপরীতে ৩ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, দুই পরীক্ষার্থীকে জেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।