ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

কোনোমতে প্রাণে বাঁচলেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:০৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩০০ বার দেখা হয়েছে

নতুন বছরের রাতে উরুগুয়ের এক সমুদ্র সৈকতে ভয়াবহ বিপদের মুখে পড়েছিলেন সাবেক আর্জেন্টাইন ফুটবলার মার্টিন দেমিকেলিস। পরির সঙ্গে সমুদ্রে নামার পর প্রবল স্রোতে আটকে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত কয়েকজন সার্ফারের তৎপতরতায় কোনোমতে প্রাণ বাঁচেন দেমিকেলিস ও তার পরিবারের সদস্যরা।

উরুগুয়ের গণমাধ্যম জানায়, ৩১ ডিসেম্বর পুন্তা দেল এস্তের কাছে হোসে ইগনাসিও এলাকার লাগুনা এসকোনদিদা সৈকতে ছুটি কাটাচ্ছিলেন দেমিকেলিস। ওই দিন তিনি, তার বড় ছেলে বাস্তিয়ান ও ভাতিজি কামিলা সমুদ্রে নামেন। তবে ওই সৈকতে সাঁতার কাটা নিষিদ্ধ ছিল।

স্থানীয় টিভি অনুষ্ঠান ‘আ লা তার্দে’ জানায়, সমুদ্রে নামার কিছুক্ষণ পরই শক্তিশালী স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে তারা তীরে ফিরতে পারেননি। ধীরে ধীরে স্রোত তাদের আরও গভীরের দিকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে সমুদ্রের প্রবল শক্তির কাছে অসহায় হয়ে পড়েন তারা।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, উত্তাল সমুদ্রে সাহায্যের জন্য লড়াই করছেন দেমিকেলিস, তার ছেলে ও ভাতিজি। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে কাছাকাছি আরেকটি সৈকতে সার্ফিং করা কয়েকজন সার্ফার দ্রুত এগিয়ে আসেন। সার্ফবোর্ড ব্যবহার করে তারা একে একে সবাইকে নিরাপদে তীরে তুলে আনেন।

একজন স্থানীয় সাংবাদিক জানান, ‘লাইফগার্ডবিহীন এলাকায় পুরো পরিবারসহ দেমিকেলিসকে আমরা ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচিয়েছি।’

শেষ পর্যন্ত বড় কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই ঘটনাটি শেষ হলেও, দেমিকেলিস ও তার পরিবারের জন্য এটি ছিল চরম আতঙ্কের মুহূর্ত। সার্ফারদের সাহসী ও দ্রুত সিদ্ধান্তেই নতুন বছরের আগমুহূর্তে জীবন ফিরে পান সাবেক এই আর্জেন্টাইন তারকা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমরানকে ভারতে থাকতে হলে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে

কোনোমতে প্রাণে বাঁচলেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার

প্রকাশিত : ০৬:০৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

নতুন বছরের রাতে উরুগুয়ের এক সমুদ্র সৈকতে ভয়াবহ বিপদের মুখে পড়েছিলেন সাবেক আর্জেন্টাইন ফুটবলার মার্টিন দেমিকেলিস। পরির সঙ্গে সমুদ্রে নামার পর প্রবল স্রোতে আটকে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত কয়েকজন সার্ফারের তৎপতরতায় কোনোমতে প্রাণ বাঁচেন দেমিকেলিস ও তার পরিবারের সদস্যরা।

উরুগুয়ের গণমাধ্যম জানায়, ৩১ ডিসেম্বর পুন্তা দেল এস্তের কাছে হোসে ইগনাসিও এলাকার লাগুনা এসকোনদিদা সৈকতে ছুটি কাটাচ্ছিলেন দেমিকেলিস। ওই দিন তিনি, তার বড় ছেলে বাস্তিয়ান ও ভাতিজি কামিলা সমুদ্রে নামেন। তবে ওই সৈকতে সাঁতার কাটা নিষিদ্ধ ছিল।

স্থানীয় টিভি অনুষ্ঠান ‘আ লা তার্দে’ জানায়, সমুদ্রে নামার কিছুক্ষণ পরই শক্তিশালী স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে তারা তীরে ফিরতে পারেননি। ধীরে ধীরে স্রোত তাদের আরও গভীরের দিকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে সমুদ্রের প্রবল শক্তির কাছে অসহায় হয়ে পড়েন তারা।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, উত্তাল সমুদ্রে সাহায্যের জন্য লড়াই করছেন দেমিকেলিস, তার ছেলে ও ভাতিজি। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে কাছাকাছি আরেকটি সৈকতে সার্ফিং করা কয়েকজন সার্ফার দ্রুত এগিয়ে আসেন। সার্ফবোর্ড ব্যবহার করে তারা একে একে সবাইকে নিরাপদে তীরে তুলে আনেন।

একজন স্থানীয় সাংবাদিক জানান, ‘লাইফগার্ডবিহীন এলাকায় পুরো পরিবারসহ দেমিকেলিসকে আমরা ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচিয়েছি।’

শেষ পর্যন্ত বড় কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই ঘটনাটি শেষ হলেও, দেমিকেলিস ও তার পরিবারের জন্য এটি ছিল চরম আতঙ্কের মুহূর্ত। সার্ফারদের সাহসী ও দ্রুত সিদ্ধান্তেই নতুন বছরের আগমুহূর্তে জীবন ফিরে পান সাবেক এই আর্জেন্টাইন তারকা।