বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় মাতে সারা বিশ্ব। একটি ট্রফির জন্য গত দুই যুগ লড়েছে ৩২ দেশ। এবার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৮। বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত অনেক দেশে ট্রফি ভ্রমণ করায়। ফিফার দীর্ঘদিনের পৃষ্ঠপোষক কোকাকোলার তত্ত্বাবধানেই এটি হয়।
২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি আগামীকাল ঢাকায় আসছে। কয়েক সপ্তাহ আগে কোকাকোলা এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল।বিগত সময়ে ট্রফি আসার আগের দিন বা কয়েক দিন আগেই সংবাদ সম্মেলন করত। এবার খানিকটা নিভৃতেই হচ্ছে। সারা বিশ্বের অন্যতম কাঙ্খিত বস্তু বিশ্বকাপ ট্রফি আসছে ঢাকায় অথচ নেই তেমন কোনো উন্মাদনা।

বিশ্বকাপের ট্রফি বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে রয়েছে। ভারতের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী দিল্লি ও গৌহাটি মিলিয়ে তিন দিনের সফর শেষে বাংলাদেশে আসার কথা। ভারতে তিন দিন থাকলেও বাংলাদেশে ট্রফির অবস্থানকাল হবে ২৪ ঘন্টারও কম সময়। সকাল দশটায় আগমনের পর রাতেই আবার অন্য দেশে প্রদর্শনের উদ্দেশে ট্রফি বাংলাদেশ ত্যাগ করবে। বিভিন্ন মাধ্যমে এমনটাই জানা গেছে।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ফিফার সদস্য হলেও বিশ্বকাপ ট্রফি প্রদর্শনীর ব্যবস্থাপনা ও আয়োজনে তেমন সম্পৃক্ততা নেই। সকল কিছুই ফিফার স্পন্সর কোকাকোলার তত্ত্বাবধায়নে। বাফুফে কর্মকর্তা, বর্তমান ও সাবেক ফুটবলাররা আমন্ত্রিত হয়ে ছবি তোলার সুযোগ পাবেন। বিগত কয়েক দিন কোকাকোলার বিশ্বকাপ ট্রফি প্রচারণায় যারা বিজয়ী হয়েছেন তাদেরও মিলবে বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ। এ ছাড়া কোকাকোলার বিশেষ আমন্ত্রিত ব্যক্তিরাও পাবেন বিশ্বকাপ ট্রফির দেখা।
সকালে ট্রফি আগমনের পর বিমানবন্দরে সামান্য আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে। ট্রফি সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরিসহ সরকারের বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ অভ্যর্থনা পর্বে থাকবেন। এরপর সরাসরি হোটেল রেডিসনে আনা হবে। দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে প্রদর্শনী। ব্রাজিল ও কাতার বিশ্বকাপের ট্রফিও বাংলাদেশ প্রদক্ষিণ করেছিল। ঐ দুই বারও ট্রফি হোটেল রেডিসনে ছিল। ২০১৩ সালে জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রদর্শনের পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত হয়নি।
গতবার ট্রফির সঙ্গে সাবেক এক ফরাসি ফুটবলার এসেছিলেন। এবার ব্রাজিলিয়ান সাবেক ফুটবলার গিলবার্তো সিলভার আগমনের কথা রয়েছে। তিনি ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম সদস্য। ট্রফির সঙ্গে তিনি ভারতে রয়েছেন এই মুহুর্তে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















