ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৩ মাস পর ৫১০ টন চাল আমদানি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল স্থলবন্দরে ৩ মাস পর চারটি চালানে ৫১০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ১৪টি ট্রাকে আমদানি করা চালের এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইর্য়াডে প্রবেশ করে। বুধবার বন্দর থেকে চাল খালাস হয়ে নেওয়া হবে দেশের অভ্যন্তরে।

চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম এন্ড সন্স। আমদানি করা চাল ছাড়করণের জন্য কাজ করছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ। দেশের বাজারে দাম কমাতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে সরকার।

বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। গত ১৮ জানুয়ারি পুনরায় ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যা সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানিকৃত চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।

আমদানিকৃত চাল প্রতিকেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা এবং খোলা বাজারে এ চাল কেজিতে বিক্রয় হবে ৫১ টাকা বলে জানা গেছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. শামীম হোসেন জানান, চার চালানে ৫১০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৩ মাস পর ৫১০ টন চাল আমদানি

প্রকাশিত : ০৩:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল স্থলবন্দরে ৩ মাস পর চারটি চালানে ৫১০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ১৪টি ট্রাকে আমদানি করা চালের এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইর্য়াডে প্রবেশ করে। বুধবার বন্দর থেকে চাল খালাস হয়ে নেওয়া হবে দেশের অভ্যন্তরে।

চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম এন্ড সন্স। আমদানি করা চাল ছাড়করণের জন্য কাজ করছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ। দেশের বাজারে দাম কমাতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে সরকার।

বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। গত ১৮ জানুয়ারি পুনরায় ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যা সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানিকৃত চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।

আমদানিকৃত চাল প্রতিকেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা এবং খোলা বাজারে এ চাল কেজিতে বিক্রয় হবে ৫১ টাকা বলে জানা গেছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. শামীম হোসেন জানান, চার চালানে ৫১০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।