ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

গাজায় ‘যুদ্ধবিরতি সবচেয়ে বড় মিথ্যা’, বললেন এক বাসিন্দা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:০২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ১০২ বার দেখা হয়েছে

গত বছরের অক্টোবরে দখলদার ইসরায়েল ও গাজাভিত্তিক স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। তবে যুদ্ধবিরতি হলেও সেখানে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত আছে। এখনো সেখানে প্রতিদিন মানুষ মরছে।

এমন পরিস্থিতিতে গাজার এ যুদ্ধবিরতিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিথ্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন মারাম সেরসাওয়াই নামে সেখানকার এক বাসিন্দা। তিনি বলেছেন, “যুদ্ধবিরতি, সবচেয়ে বড় মিথ্যা যেটি বিশ্বকে শেখানো হয়েছে।”

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ১ হাজার ৫৩ জন নিহত ও ৩ হাজার ৪০৬ জন আহত হয়েছেন।

এই নারী বলেছেন, “যুদ্ধ শুরুর পর কোনো কিছু পরিবর্তন হয়নি। উল্টো পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। আর আমরা কোনোদিন কিছু পরিবর্তন করতে পারিনি।”

তিনি আরও বলেছেন, গাজা থেকে বিশ্ববাসীর মনোযোগ সরে গেছে। তাদের শঙ্কা সাধারণ সেবা থেকে বঞ্চিত এবং তাদের ওপর অব্যাহত হামলা হয়ত এক সময় ‘যন্ত্রণাদায়ক বাস্তবতায়’ পরিণত হতে পারে।

“তা সত্ত্বেও আমি আমার পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার এখনো একটা ভবিষ্যত রয়েছে এবং আমরা হয়ত কিছু একটা পরিবর্তন আনতে পারব।”— যোগ করেন মারাম সেরসাওয়াই।

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর হলেন অধ্যাপক নাছির আহমাদ

গাজায় ‘যুদ্ধবিরতি সবচেয়ে বড় মিথ্যা’, বললেন এক বাসিন্দা

প্রকাশিত : ০৮:০২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

গত বছরের অক্টোবরে দখলদার ইসরায়েল ও গাজাভিত্তিক স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। তবে যুদ্ধবিরতি হলেও সেখানে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত আছে। এখনো সেখানে প্রতিদিন মানুষ মরছে।

এমন পরিস্থিতিতে গাজার এ যুদ্ধবিরতিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিথ্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন মারাম সেরসাওয়াই নামে সেখানকার এক বাসিন্দা। তিনি বলেছেন, “যুদ্ধবিরতি, সবচেয়ে বড় মিথ্যা যেটি বিশ্বকে শেখানো হয়েছে।”

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ১ হাজার ৫৩ জন নিহত ও ৩ হাজার ৪০৬ জন আহত হয়েছেন।

এই নারী বলেছেন, “যুদ্ধ শুরুর পর কোনো কিছু পরিবর্তন হয়নি। উল্টো পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। আর আমরা কোনোদিন কিছু পরিবর্তন করতে পারিনি।”

তিনি আরও বলেছেন, গাজা থেকে বিশ্ববাসীর মনোযোগ সরে গেছে। তাদের শঙ্কা সাধারণ সেবা থেকে বঞ্চিত এবং তাদের ওপর অব্যাহত হামলা হয়ত এক সময় ‘যন্ত্রণাদায়ক বাস্তবতায়’ পরিণত হতে পারে।

“তা সত্ত্বেও আমি আমার পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার এখনো একটা ভবিষ্যত রয়েছে এবং আমরা হয়ত কিছু একটা পরিবর্তন আনতে পারব।”— যোগ করেন মারাম সেরসাওয়াই।