ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ আজ থেকে ৯ মাসেরর বন্ধ ঘোষণা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:২৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১০ বার দেখা হয়েছে
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারী)  থেকে টানা ৯ মাস টেকনাফের সেন্টমার্টিনে পর্যটকরা ভ্রমণে যেতে পারবেন না।গতকাল শনিবার এই মৌসুমে শেষবারের মতো পর্যটকবাহী জাহাজ দ্বীপে যাতায়াত করে। নতুন নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত সেন্টমার্টিনগামী কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাবে না।
এতে দ্বীপের পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী ও পরিবহন খাতের মানুষের মধ্যে নতুন করে জীবিকা সংকটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।দ্বীপবাসীর দাবি, সময় কমিয়ে দেওয়ায় পর্যটনের ভরা মৌসুমেও তারা প্রত্যাশিত আয় করতে পারেননি।সাধারণত প্রতিবছর ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণের অনুমতি থাকে। তবে এবার সরকার সময়সীমা কমিয়ে ১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করে। তবে নভেম্বরজুড়ে দ্বীপে পর্যটকদের রাত্রিযাপনও নিষিদ্ধ ছিল।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার পর্যটকের আসা যাওয়া হিসেব করলে এই মৌসুমে এক লাখ ২০ হাজার পর্যটক কক্সবাজার থেকে জাহাজে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করেছেন। তবে এবার দ্বীপের স্থানীয় পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীরা তেমন আয় করতে পারেননি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হোসাইন বলেন, আজ থেকে আর কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। সরকার পরবর্তীতে সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেন্টমার্টিন হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি এম এ আবদুর রহমান বলেন, নির্বাচনের পর যদি আবার পর্যটন চালু করা হয়, তাহলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও লোকসান পুষিয়ে নিতে পারবেন।সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, দ্বীপের প্রায় সবাই পর্যটন খাতের সঙ্গে জড়িত। সময়টা আরেকটু বাড়ানো গেলে ভালো হতো।
দ্বীপের রিকশাচালক মকবুল বলেন, পর্যটক আসা বন্ধ হচ্ছে। আমাকে আবার মাছ ধরতে যেতে হবে। রিকশা কেনার জন্য ঋণ নিয়েছি, কিন্তু দুই মাসেও সেই টাকা তুলতে পারিনি।
দ্বীপের কটেজ ব্যবসায়ী যুবায়ের সিদ্দিকী বলেন, এবার আমরা কোনো আয় করতে পারিনি। জাহাজ কর্তৃপক্ষ আর ঢাকার কিছু বিনিয়োগকারী হোটেল ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট গলাকাটা বাণিজ্য করেছে।

হরমুজে সম্ভাব্য মিশনের আগে মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী মোতায়েন ব্রিটেনের

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ আজ থেকে ৯ মাসেরর বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৮:২৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারী)  থেকে টানা ৯ মাস টেকনাফের সেন্টমার্টিনে পর্যটকরা ভ্রমণে যেতে পারবেন না।গতকাল শনিবার এই মৌসুমে শেষবারের মতো পর্যটকবাহী জাহাজ দ্বীপে যাতায়াত করে। নতুন নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত সেন্টমার্টিনগামী কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাবে না।
এতে দ্বীপের পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী ও পরিবহন খাতের মানুষের মধ্যে নতুন করে জীবিকা সংকটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।দ্বীপবাসীর দাবি, সময় কমিয়ে দেওয়ায় পর্যটনের ভরা মৌসুমেও তারা প্রত্যাশিত আয় করতে পারেননি।সাধারণত প্রতিবছর ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণের অনুমতি থাকে। তবে এবার সরকার সময়সীমা কমিয়ে ১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করে। তবে নভেম্বরজুড়ে দ্বীপে পর্যটকদের রাত্রিযাপনও নিষিদ্ধ ছিল।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার পর্যটকের আসা যাওয়া হিসেব করলে এই মৌসুমে এক লাখ ২০ হাজার পর্যটক কক্সবাজার থেকে জাহাজে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করেছেন। তবে এবার দ্বীপের স্থানীয় পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীরা তেমন আয় করতে পারেননি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হোসাইন বলেন, আজ থেকে আর কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। সরকার পরবর্তীতে সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেন্টমার্টিন হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি এম এ আবদুর রহমান বলেন, নির্বাচনের পর যদি আবার পর্যটন চালু করা হয়, তাহলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও লোকসান পুষিয়ে নিতে পারবেন।সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, দ্বীপের প্রায় সবাই পর্যটন খাতের সঙ্গে জড়িত। সময়টা আরেকটু বাড়ানো গেলে ভালো হতো।
দ্বীপের রিকশাচালক মকবুল বলেন, পর্যটক আসা বন্ধ হচ্ছে। আমাকে আবার মাছ ধরতে যেতে হবে। রিকশা কেনার জন্য ঋণ নিয়েছি, কিন্তু দুই মাসেও সেই টাকা তুলতে পারিনি।
দ্বীপের কটেজ ব্যবসায়ী যুবায়ের সিদ্দিকী বলেন, এবার আমরা কোনো আয় করতে পারিনি। জাহাজ কর্তৃপক্ষ আর ঢাকার কিছু বিনিয়োগকারী হোটেল ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট গলাকাটা বাণিজ্য করেছে।