ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

মার্কিন হামলার হুমকির মুখে ৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:১৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২২ বার দেখা হয়েছে

পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির মাঝে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ৩৭ বছরের পুরোনো এক রীতি ভেঙেছেন। তিন যুগের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো দেশটির বিমানবাহিনীর কমান্ডারদের বার্ষিক এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেননি তিনি।

যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ইরানি সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৯ সালে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছেন খামেনি। এমনকি কোভিড-১৯ মহামারির সময়ও দেশটির বিমানবাহিনীর বার্ষিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

বার্ষিক এই বৈঠক ১৯৭৯ সালের ৮ ফেব্রুয়ারির স্মরণে অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন দেশটির বিমানবাহিনীর একদল কর্মকর্তা পাহলভির রাজবংশ উৎখাতে রুহুল্লাহ খোমেনির প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেছিলেন। খোমেনি ছিলেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং খামেনির পূর্বসূরি সর্বোচ্চ নেতা।

পরবর্তী চার দশকে ইরানে ওই দিনটি বিশেষ প্রতীকী আয়োজনে পরিণত হয়। প্রতিবছর একই তারিখে (৮ ফেব্রুয়ারি) বিমানবাহিনীর সদস্য ও কমান্ডাররা দেশের ধর্মীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছর খামেনির পরিবর্তে সেনাবাহিনীর বিমানবাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান স্টাফ কর্মকর্তা আবদোলরহিম মুসাভি।

বিসিসির প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরীনের স্পর্শে জেগে উঠছে বাংলার ভেনিস

মার্কিন হামলার হুমকির মুখে ৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি

প্রকাশিত : ০৭:১৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির মাঝে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ৩৭ বছরের পুরোনো এক রীতি ভেঙেছেন। তিন যুগের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো দেশটির বিমানবাহিনীর কমান্ডারদের বার্ষিক এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেননি তিনি।

যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ইরানি সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৯ সালে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছেন খামেনি। এমনকি কোভিড-১৯ মহামারির সময়ও দেশটির বিমানবাহিনীর বার্ষিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

বার্ষিক এই বৈঠক ১৯৭৯ সালের ৮ ফেব্রুয়ারির স্মরণে অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন দেশটির বিমানবাহিনীর একদল কর্মকর্তা পাহলভির রাজবংশ উৎখাতে রুহুল্লাহ খোমেনির প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেছিলেন। খোমেনি ছিলেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং খামেনির পূর্বসূরি সর্বোচ্চ নেতা।

পরবর্তী চার দশকে ইরানে ওই দিনটি বিশেষ প্রতীকী আয়োজনে পরিণত হয়। প্রতিবছর একই তারিখে (৮ ফেব্রুয়ারি) বিমানবাহিনীর সদস্য ও কমান্ডাররা দেশের ধর্মীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছর খামেনির পরিবর্তে সেনাবাহিনীর বিমানবাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান স্টাফ কর্মকর্তা আবদোলরহিম মুসাভি।