ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:১৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাজবাড়ী জেলা পুনরায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী পেয়েছে। এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজবাড়ী-১ আসন থেকে দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

তার আগে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় ১৯৯১ সালে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন রাজবাড়ীর পুত্রবধূ অধ্যাপিকা জাহানারা বেগম।

জানা গেছে, বিএনপি ১৯৯১ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে রাজবাড়ীর পুত্রবধূ অধ্যাপিকা জাহানারা বেগম টেকনোক্র্যাট কোটায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রাজবাড়ী জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসাবে জেলায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেন এবং দীর্ঘদিন জেলা বিএনপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় হয়। গতকাল ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করলে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত করা হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৯৯৬ সালে রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং পরবর্তীতে ২০০৯ সালে একই মন্ত্রণালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৮ সালে কাজী কেরামত আলীকে শিক্ষা মন্ত্রণালায়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি রাজবাড়ী জেলাজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। জেলা শহর থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা গেছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার বার্তায় ভরে উঠেছে টাইমলাইন।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততার কারণে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দলীয় অঙ্গনে একজন গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিচিত। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার প্রতিমন্ত্রী হওয়াকে স্থানীয়রা দেখছেন রাজবাড়ীর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের শক্তিশালী স্বীকৃতি হিসেবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম

প্রকাশিত : ০৪:১৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাজবাড়ী জেলা পুনরায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী পেয়েছে। এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজবাড়ী-১ আসন থেকে দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

তার আগে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় ১৯৯১ সালে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন রাজবাড়ীর পুত্রবধূ অধ্যাপিকা জাহানারা বেগম।

জানা গেছে, বিএনপি ১৯৯১ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে রাজবাড়ীর পুত্রবধূ অধ্যাপিকা জাহানারা বেগম টেকনোক্র্যাট কোটায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রাজবাড়ী জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসাবে জেলায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেন এবং দীর্ঘদিন জেলা বিএনপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় হয়। গতকাল ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করলে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত করা হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৯৯৬ সালে রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং পরবর্তীতে ২০০৯ সালে একই মন্ত্রণালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৮ সালে কাজী কেরামত আলীকে শিক্ষা মন্ত্রণালায়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি রাজবাড়ী জেলাজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। জেলা শহর থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা গেছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার বার্তায় ভরে উঠেছে টাইমলাইন।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততার কারণে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দলীয় অঙ্গনে একজন গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিচিত। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার প্রতিমন্ত্রী হওয়াকে স্থানীয়রা দেখছেন রাজবাড়ীর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের শক্তিশালী স্বীকৃতি হিসেবে।