ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মির্জা আব্বাসকে সভাপতি করে নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন সেল গঠন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:২৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

দেশের নদী, খাল ও জলাশয় খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচি গ্রহণের লক্ষ্যে একটি সেল গঠন করেছে সরকার। ৮ সদস্যের সেলের সভাপতি করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদকে। এর বাইরে সদস্য হিসেবে থাকবেন ভূমি, কৃষি, স্থানীয় সরকার, পানি সম্পদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবরা। এছাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক সদস্য হিসেবে যুক্ত থাকবেন। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে করা হয়েছে সদস্য সচিব।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই সেলের কার্যক্রম চলবে সারা দেশে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সেলটি নদী-খাল-জলাশয় খননের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরি করবে। বিভিন্ন সংস্থার চলমান প্রকল্পের মধ্যে সমন্বয় করবে। খনন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সমস্যা সমাধানে দিকনির্দেশনা দেবে। পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে প্রচারের উদ্যোগ নেবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজন হলে সেলের সদস্যরা নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সেলে নতুন সদস্য যোগ করতে (কো-অপ্ট করতে) পারবেন। সেলের কাজ চালাতে যেসব দাপ্তরিক সুবিধা দরকার, এই সেলকে সেসব সচিবালয় সহায়তা দেওয়া হবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে।

প্রজ্ঞাপনটি জারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদেশটি কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জা আব্বাসকে সভাপতি করে নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন সেল গঠন

প্রকাশিত : ১১:২৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের নদী, খাল ও জলাশয় খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচি গ্রহণের লক্ষ্যে একটি সেল গঠন করেছে সরকার। ৮ সদস্যের সেলের সভাপতি করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদকে। এর বাইরে সদস্য হিসেবে থাকবেন ভূমি, কৃষি, স্থানীয় সরকার, পানি সম্পদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবরা। এছাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক সদস্য হিসেবে যুক্ত থাকবেন। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে করা হয়েছে সদস্য সচিব।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই সেলের কার্যক্রম চলবে সারা দেশে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সেলটি নদী-খাল-জলাশয় খননের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরি করবে। বিভিন্ন সংস্থার চলমান প্রকল্পের মধ্যে সমন্বয় করবে। খনন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সমস্যা সমাধানে দিকনির্দেশনা দেবে। পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে প্রচারের উদ্যোগ নেবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজন হলে সেলের সদস্যরা নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সেলে নতুন সদস্য যোগ করতে (কো-অপ্ট করতে) পারবেন। সেলের কাজ চালাতে যেসব দাপ্তরিক সুবিধা দরকার, এই সেলকে সেসব সচিবালয় সহায়তা দেওয়া হবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে।

প্রজ্ঞাপনটি জারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদেশটি কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।