ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

আলুর কেজি ৫ টাকা নওগাঁয় ,অথচ কেজিতে উৎপাদন খরচ তিন গুণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২২২ বার দেখা হয়েছে

আলু নিয়ে কৃষকের লোকসানের শংঙ্কা যেন কাটছেই না। মাঠ থেকে পাইকারি বাজার সর্বত্রই নওগাঁয় আলুর বাজারে ধস নেমেছে। গেল বছর সরকার আলুর বাজার মূল্য ২২ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও তাতেও উৎপাদন খরচ ওঠেনি। এবার পরিস্থিতি আরও শোচনীয়। প্রতি কেজি আলু পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৭ টাকা দরে। যা উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম। তবে ভোক্তা পর্যায়ে দাম স্থিতিশীল থাকলেও কৃষক পাচ্ছে না নায্য দাম। সম্প্রতি জেলার পাইকারি হাটগুলো ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

কৃষকরা বলছেন, এ বছর আলু উৎপাদনে কেজিপ্রতি খরচ হয়েছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। বীজ, সার, সেচ আর কীটনাশকেও গুনতে হয়েছে বাড়তি অর্থ। কিন্তু উৎপাদিত পণ্যের বাজারমূল্য ৫ থেকে ৭ টাকার বেশি মিলছে না। ফলে উৎপাদন খরচের সাথে হিসাব মিলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকদের। উঠছে না আলু উঠানোর শ্রমিক খরচ। তার ওপর হিমাগারের ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ায় আলু সংরক্ষণ করা নিয়েও রয়েছে দুশ্চিন্তা। কৃষকরা বলছেন, এ বছর আলু উৎপাদনে কেজিপ্রতি খরচ হয়েছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। বীজ, সার, সেচ আর কীটনাশকেও গুনতে হয়েছে বাড়তি অর্থ। কিন্তু উৎপাদিত পণ্যের বাজারমূল্য ৫ থেকে ৭ টাকার বেশি মিলছে না। ফলে উৎপাদন খরচের সাথে হিসাব মিলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকদের। উঠছে না আলু উঠানোর শ্রমিক খরচ। তার ওপর হিমাগারের ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ায় আলু সংরক্ষণ করা নিয়েও রয়েছে দুশ্চিন্তা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলায় ২১ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৩৩০ টন। গত মৌসুমে জেলায় আলু চাষ হয়েছিল ২৫ হাজার ৯৪০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ৫ লাখ ১৪ হাজার ৩৬০ টন। সেই হিসাবে এ বছর জেলায় ৩ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ কমেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হুমায়রা মণ্ডল বলেন, গত মৌসুমে লোকসানের পর কৃষকদের কম জমিতে আলু চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তারপরও অনেক কৃষক আলু চাষ করেছে। এখন উৎপাদন ভালো হওযায় এবং বাজারে সরবরাহ বেড়েছে বলেই দাম কমেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে নিখোঁজের দুই দিন পর অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার

আলুর কেজি ৫ টাকা নওগাঁয় ,অথচ কেজিতে উৎপাদন খরচ তিন গুণ

প্রকাশিত : ০৯:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আলু নিয়ে কৃষকের লোকসানের শংঙ্কা যেন কাটছেই না। মাঠ থেকে পাইকারি বাজার সর্বত্রই নওগাঁয় আলুর বাজারে ধস নেমেছে। গেল বছর সরকার আলুর বাজার মূল্য ২২ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও তাতেও উৎপাদন খরচ ওঠেনি। এবার পরিস্থিতি আরও শোচনীয়। প্রতি কেজি আলু পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৭ টাকা দরে। যা উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম। তবে ভোক্তা পর্যায়ে দাম স্থিতিশীল থাকলেও কৃষক পাচ্ছে না নায্য দাম। সম্প্রতি জেলার পাইকারি হাটগুলো ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

কৃষকরা বলছেন, এ বছর আলু উৎপাদনে কেজিপ্রতি খরচ হয়েছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। বীজ, সার, সেচ আর কীটনাশকেও গুনতে হয়েছে বাড়তি অর্থ। কিন্তু উৎপাদিত পণ্যের বাজারমূল্য ৫ থেকে ৭ টাকার বেশি মিলছে না। ফলে উৎপাদন খরচের সাথে হিসাব মিলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকদের। উঠছে না আলু উঠানোর শ্রমিক খরচ। তার ওপর হিমাগারের ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ায় আলু সংরক্ষণ করা নিয়েও রয়েছে দুশ্চিন্তা। কৃষকরা বলছেন, এ বছর আলু উৎপাদনে কেজিপ্রতি খরচ হয়েছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। বীজ, সার, সেচ আর কীটনাশকেও গুনতে হয়েছে বাড়তি অর্থ। কিন্তু উৎপাদিত পণ্যের বাজারমূল্য ৫ থেকে ৭ টাকার বেশি মিলছে না। ফলে উৎপাদন খরচের সাথে হিসাব মিলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকদের। উঠছে না আলু উঠানোর শ্রমিক খরচ। তার ওপর হিমাগারের ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ায় আলু সংরক্ষণ করা নিয়েও রয়েছে দুশ্চিন্তা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলায় ২১ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৩৩০ টন। গত মৌসুমে জেলায় আলু চাষ হয়েছিল ২৫ হাজার ৯৪০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ৫ লাখ ১৪ হাজার ৩৬০ টন। সেই হিসাবে এ বছর জেলায় ৩ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ কমেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হুমায়রা মণ্ডল বলেন, গত মৌসুমে লোকসানের পর কৃষকদের কম জমিতে আলু চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তারপরও অনেক কৃষক আলু চাষ করেছে। এখন উৎপাদন ভালো হওযায় এবং বাজারে সরবরাহ বেড়েছে বলেই দাম কমেছে।