নীলফামারী প্রতিনিধি: প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক শ্রেণিকক্ষ, বেঞ্চ সংকট আর শিক্ষক স্বল্পতা নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের বালাগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম।
এই প্রতিষ্ঠানের ৬ টি শ্রেণীর প্রায় ১৬০ জন শিক্ষার্থীর জন্য ১০;টি কক্ষের প্রয়োজন হলেও আছে ৫ টি। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে শিক্ষক সংকটও। বিদ্যালয়টিতে ৬ জন শিক্ষকের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৪ জন শিক্ষক। আর দুজন শিক্ষক কম থাকায় বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের বালাগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৩১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সরকারী করন হয় ১৯৭৩ সালে।
প্রতিষ্ঠানটিতে সময়ের ব্যবধানে শিক্ষার্থী বেড়ে যাওয়ায় শ্রেনি কক্ষের সংকট সৃষ্টি হয়। এদিকে শ্রেণিকক্ষের অভাবে এক কক্ষে চলে পাঠদান।ফলে লেখাপড়ায়
ব্যাহত হচ্ছে।
ওই এলাকার বাসিন্দা হাসান, মামুদ বলেন, বছরের শুরুতে আমার এক সন্তানকে এ বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে এসে জানলাম প্রতিষ্ঠানের শ্রেনী কক্ষ ও শিক্ষক সংকট রয়েছে। তবু ভর্তি করিয়েছি।ন শ্রেনী কক্ষ ও শিক্ষক সংকটের বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা জরুরী।
শ্রেনী কক্ষ ও শিক্ষক সংকটের কথা জানিয়ে এক শিক্ষক বলেন, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির একই কক্ষে পাঠদান করায় শিক্ষার গুণগত মান রক্ষা হচ্ছে না।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সাকিয়া কাউসার বলেন, বিদ্যালয়ের ভবন, শ্রেনী কক্ষ, বেঞ্চ ও শিক্ষক সংকট, ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং বাউন্ডারী ওয়াল না থাকায় বিদ্যালয়ের জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠার পর থেকে। তবে ভবন, শিক্ষক সংকটের সহ বিভিন্ন বিভিন্ন সমস্যার কথা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক একাডেমিক ভবন সংকটসহ অন্যান্য সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের দাবী জানান।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস ছামাদ
জানান, জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের চৌরঙ্গী ঈদগা মাঠ সংলগ্ন বালাগ্রাম সরকারী বিদ্যালযের শ্রেনী কক্ষ সংকটের কারণে পাঠদান বিঘ্ন হওয়ার ও বাউন্ডারি ওয়াল না থাকার বিষয়টি প্রতিষ্ঠান প্রধান আমাকে জানিয়েছেন। বিদ্যালয়ে নতুন একটি ভবন ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের চেষ্টা চলছে। আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। এবং উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় এ বিষয় গুলো তুলে ধরবো।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী হাজেরুল ইসলাম বলেন বরাদ্দ পেলে অবশ্যই কাজ হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















