ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

নবীগঞ্জের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ইপিআই পোর্টারা ৮ মাসের বেতন ২০ মাসের ভাতা না পাওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৩৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে
নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীনে  কর্মরত ইপিআই ভ্যাকসিন পোর্টাররা বিগত  ৮ মাস বকেয়া বেতন এবং ২০  মাসের বকেয়া পরিবহন ভাতা না পাওয়ায় তারা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ ব্যাপারে তারা সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নবীগঞ্জ  উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নিকট লিখিত আবেদন করেছেন।
 আবেদন সুত্রে জানা যায়,হবিগঞ্জ  জেলার বিভিন্ন উপজেলার কর্মরত পোর্টাররা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি ইপিআই সফলভাবে বাস্তবায়নে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বিগত ২০২৪ সালের জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালের অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর এবং ২০২৬ সালের (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ২ মাসসহ মোট  ৮  মাসের বেতন এবং ২০২৪ সালের জুলাই হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত  ২০  মাসের পরিবহন ভাতা এখন পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়নি।
দীর্ঘ সময় বেতন ও পরিবহন ভাতা না পাওয়ায় তাদের পরিবার-পরিজনের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে । নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, সন্তানের শিক্ষা ব্যয়, চিকিৎসা ব্যয় ইত্যাদি মেটাতে অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন তারা । দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বেতন ও পরিবহন ভাতা হতে বঞ্চিত হয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন  যা  তাদের মানসিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে চরমভাবে । অথচ সরকারের টিকাদান কর্মসূচি ইপিআই এবং মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য রক্ষায়  পোর্টারা নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভায় সপ্তাহে ৪ দিন সাত সকালেই ভ্যাকসিনের বাক্স বাই সাইকেল যোগে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে  পৌছে দেন।
এমতাবস্থায়, ন্যায্য ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে  বিগত ৮  মাসের বকেয়া বেতন এবং ২০ মাসের বকেয়া  পরিবহন ভাতা দ্রুত পরিশোধের জন্য তারা সরকারের  সদয় হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ বলেন, বিগত ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে পোর্টারদের ভাতা ও বেতন পরিশোধের ফান্ড না থাকায় সারাদেশের মতো নবীগঞ্জেও তাদের বেতনভাতা পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। আমরা প্রতি মাসেই প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাটাই।  কিন্তু অদ্যবধি কোন আর্থিক সঙ্গতি পাইনি।

জ্বালানি তৈল মজুদ ও ওজনে কম এসব অপরাধে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নবীগঞ্জের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ইপিআই পোর্টারা ৮ মাসের বেতন ২০ মাসের ভাতা না পাওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন

প্রকাশিত : ০৬:৩৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীনে  কর্মরত ইপিআই ভ্যাকসিন পোর্টাররা বিগত  ৮ মাস বকেয়া বেতন এবং ২০  মাসের বকেয়া পরিবহন ভাতা না পাওয়ায় তারা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ ব্যাপারে তারা সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নবীগঞ্জ  উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নিকট লিখিত আবেদন করেছেন।
 আবেদন সুত্রে জানা যায়,হবিগঞ্জ  জেলার বিভিন্ন উপজেলার কর্মরত পোর্টাররা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি ইপিআই সফলভাবে বাস্তবায়নে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বিগত ২০২৪ সালের জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালের অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর এবং ২০২৬ সালের (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ২ মাসসহ মোট  ৮  মাসের বেতন এবং ২০২৪ সালের জুলাই হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত  ২০  মাসের পরিবহন ভাতা এখন পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়নি।
দীর্ঘ সময় বেতন ও পরিবহন ভাতা না পাওয়ায় তাদের পরিবার-পরিজনের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে । নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, সন্তানের শিক্ষা ব্যয়, চিকিৎসা ব্যয় ইত্যাদি মেটাতে অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন তারা । দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বেতন ও পরিবহন ভাতা হতে বঞ্চিত হয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন  যা  তাদের মানসিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে চরমভাবে । অথচ সরকারের টিকাদান কর্মসূচি ইপিআই এবং মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য রক্ষায়  পোর্টারা নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভায় সপ্তাহে ৪ দিন সাত সকালেই ভ্যাকসিনের বাক্স বাই সাইকেল যোগে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে  পৌছে দেন।
এমতাবস্থায়, ন্যায্য ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে  বিগত ৮  মাসের বকেয়া বেতন এবং ২০ মাসের বকেয়া  পরিবহন ভাতা দ্রুত পরিশোধের জন্য তারা সরকারের  সদয় হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ বলেন, বিগত ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে পোর্টারদের ভাতা ও বেতন পরিশোধের ফান্ড না থাকায় সারাদেশের মতো নবীগঞ্জেও তাদের বেতনভাতা পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। আমরা প্রতি মাসেই প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাটাই।  কিন্তু অদ্যবধি কোন আর্থিক সঙ্গতি পাইনি।