ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

দুমকিতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

দুমকি প্রতিনিধিঃ ঈদের বাকি আর ১০দিন। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ করতে শহর ও গ্রামের সব বয়সের মানুষের চাই নতুন পোশাক। শুধু নতুন পোশাক হলেই চলবে না, তা হতে হবে সময়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও পছন্দনীয়। এরই মধ্যে ভিড় বেড়ে গেছে দুমকি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পীরতলা বাজারের মার্কেট গুলোতে। পোশাকের পাশাপাশি জুতা, কসমেটিক্স নানা কিছু কেনাকাটা চলছে। প্রতিদিন তারা ছুটে আসছেন নিজেদের পছন্দের বিভিন্ন ধরনের পোশাক ক্রয়ের জন্য। সব মিলিয়ে পোশাক,কসমেটিকস, জুতার পাশাপাশি মুদি দোকানেও জমে উঠেছে ঈদ বাজারের কেনাকাটা।
ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, যারা ঈদে পরিবারের সদস্যদের কেনাকাটার ঝামেলা এড়িয়ে স্বস্তিতে থাকতে চাচ্ছেন তারা রমজানের শুরুতেই কেনাকাটা করতে দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের সরভ উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলার পীরতলা বাজার, নতুন বাজার আল মামুন সুপার মার্কেট, ভার্সিটি ফার্স্ট গেট, থানা ব্রীজসহ বেশ কয়েকটি মার্কেটের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, সকাল দশটা হতে বিকাল পর্যন্ত এবং ইফতারের পর হতে রাত পর্যন্ত মানুষ বেশি বেছে নিয়েছে ঈদের কেনাকাটার জন্য। বিশেষ করে মহিলা, যুবক, তরুণ তরুণীদের পদচারণায় এসব মার্কেটগুলো বেশ মুখর হয়ে উঠেছে। ঈদকে কেন্দ্র করে উপজেলার ব্যবসায়ীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। মালিক ও কর্মচারীদের দম ফেলার ফুরসত নেই।

পীরতলা বাজারের ঈমান বস্ত্রালয়, মা জননী ফ্যাশন, পালকি, জুনায়েদ ফ্যাশন, প্রিয়াঙ্কা ফ্যাশন, মাসুদ রানা ফ্যাশন, মেসার্স শাহীন গাজী বস্ত্রালয়, জোনাকি বস্ত্রালয়, থানাব্রীজ রাজীব বস্ত্রালয়, রোজ ফ্যাসন, রূপশিয়া কসমেটিক্স ও সাজঘর কসমেটিক্স এর মালিকসহ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এ বছর আগেভাগে রমজানের শুরু থেকে ঈদের বেচাকেনা বাড়তে শুরু হয়েছে যা চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত। তারা ঈদের আকর্ষণীয় পোশাক সংগ্রহ করেছে। যার মধ্যে শাড়ি, থ্রি- পিস, পাঞ্জাবি, শার্ট -প্যান্ট। ছোট ও বড়দের নানা ধরনের দেশি পোশাকের পাশাপাশি রয়েছে ভারতীয়, পাকিস্তানি, কাশ্মীরি পোশাকের বিপুল সমাহার। নানা নামের এসব পোশাক কিনতে নারীসহ কিশোর-কশোরী তরুণ তরুণীরা বেশ আগ্রহী। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ও দোকানগুলোতে দোকানিরা তাদের দোকান সাজিয়েছেন বিভিন্ন জনপ্রিয় মুভি ও সিরিয়াল সিরিজের নাম অনুসারে দেশি-বিদেশি পোশাকে। পীরতলা বাজার বণিক সমিতি রীতিমতো আলোকসজ্জা ও করেছেন। অপরদিকে দর্জি দোকানগুলো মহাব্যস্ত। ঈদকে সামনে রেখে গভীর রাত পর্যন্ত ঘুরছে দর্জির মেশিনের চাকা। নাওয়া খাবার সময় নেই দর্জিদের। কারণ পছন্দের মত পোশাক বানাতে তরুণ- তরুণীরা ভিড় করছে দর্জির দোকানগুলোতে। ইতিমধ্যেই অধিকাংশ দর্জি ব্যবসায়ীরা অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। পোশাকের পাশাপাশি জুতা স্যান্ডেল ও কসমেটিক্সের দোকানেও বেচাকেনা বেশ জমজমাট। বিদেশি ব্রান্ডের পাশাপাশি দেশি জুতা স্যান্ডেলের প্রতি আকর্ষণ রয়েছে ক্রেতাদের। পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে চুরি কিংবা অন্যান্য প্রসাধনী কিনতে কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন নারীরা। সব মিলিয়ে জামা কাপড়, পোশাক, জুতা ও কসমেটিক্স এর দোকানে ভিড় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত।
দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সেলিম উদ্দিন জানান ঈদ-বাজার ঘিরে পুলিশ ও সাদা পোশাকে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছেন। ঈদের কেনাকাটা ঘিরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশ উপজেলার মার্কেট গুলোর সামনে সতর্ক অবস্থানে আছে। যেকোনো ধরনের অপরাধ চুরি, ছিনতাই ও জাল টাকা ঠেকাতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

জ্বালানি তৈল মজুদ ও ওজনে কম এসব অপরাধে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

দুমকিতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

প্রকাশিত : ১১:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

দুমকি প্রতিনিধিঃ ঈদের বাকি আর ১০দিন। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ করতে শহর ও গ্রামের সব বয়সের মানুষের চাই নতুন পোশাক। শুধু নতুন পোশাক হলেই চলবে না, তা হতে হবে সময়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও পছন্দনীয়। এরই মধ্যে ভিড় বেড়ে গেছে দুমকি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পীরতলা বাজারের মার্কেট গুলোতে। পোশাকের পাশাপাশি জুতা, কসমেটিক্স নানা কিছু কেনাকাটা চলছে। প্রতিদিন তারা ছুটে আসছেন নিজেদের পছন্দের বিভিন্ন ধরনের পোশাক ক্রয়ের জন্য। সব মিলিয়ে পোশাক,কসমেটিকস, জুতার পাশাপাশি মুদি দোকানেও জমে উঠেছে ঈদ বাজারের কেনাকাটা।
ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, যারা ঈদে পরিবারের সদস্যদের কেনাকাটার ঝামেলা এড়িয়ে স্বস্তিতে থাকতে চাচ্ছেন তারা রমজানের শুরুতেই কেনাকাটা করতে দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের সরভ উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলার পীরতলা বাজার, নতুন বাজার আল মামুন সুপার মার্কেট, ভার্সিটি ফার্স্ট গেট, থানা ব্রীজসহ বেশ কয়েকটি মার্কেটের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, সকাল দশটা হতে বিকাল পর্যন্ত এবং ইফতারের পর হতে রাত পর্যন্ত মানুষ বেশি বেছে নিয়েছে ঈদের কেনাকাটার জন্য। বিশেষ করে মহিলা, যুবক, তরুণ তরুণীদের পদচারণায় এসব মার্কেটগুলো বেশ মুখর হয়ে উঠেছে। ঈদকে কেন্দ্র করে উপজেলার ব্যবসায়ীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। মালিক ও কর্মচারীদের দম ফেলার ফুরসত নেই।

পীরতলা বাজারের ঈমান বস্ত্রালয়, মা জননী ফ্যাশন, পালকি, জুনায়েদ ফ্যাশন, প্রিয়াঙ্কা ফ্যাশন, মাসুদ রানা ফ্যাশন, মেসার্স শাহীন গাজী বস্ত্রালয়, জোনাকি বস্ত্রালয়, থানাব্রীজ রাজীব বস্ত্রালয়, রোজ ফ্যাসন, রূপশিয়া কসমেটিক্স ও সাজঘর কসমেটিক্স এর মালিকসহ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এ বছর আগেভাগে রমজানের শুরু থেকে ঈদের বেচাকেনা বাড়তে শুরু হয়েছে যা চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত। তারা ঈদের আকর্ষণীয় পোশাক সংগ্রহ করেছে। যার মধ্যে শাড়ি, থ্রি- পিস, পাঞ্জাবি, শার্ট -প্যান্ট। ছোট ও বড়দের নানা ধরনের দেশি পোশাকের পাশাপাশি রয়েছে ভারতীয়, পাকিস্তানি, কাশ্মীরি পোশাকের বিপুল সমাহার। নানা নামের এসব পোশাক কিনতে নারীসহ কিশোর-কশোরী তরুণ তরুণীরা বেশ আগ্রহী। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ও দোকানগুলোতে দোকানিরা তাদের দোকান সাজিয়েছেন বিভিন্ন জনপ্রিয় মুভি ও সিরিয়াল সিরিজের নাম অনুসারে দেশি-বিদেশি পোশাকে। পীরতলা বাজার বণিক সমিতি রীতিমতো আলোকসজ্জা ও করেছেন। অপরদিকে দর্জি দোকানগুলো মহাব্যস্ত। ঈদকে সামনে রেখে গভীর রাত পর্যন্ত ঘুরছে দর্জির মেশিনের চাকা। নাওয়া খাবার সময় নেই দর্জিদের। কারণ পছন্দের মত পোশাক বানাতে তরুণ- তরুণীরা ভিড় করছে দর্জির দোকানগুলোতে। ইতিমধ্যেই অধিকাংশ দর্জি ব্যবসায়ীরা অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। পোশাকের পাশাপাশি জুতা স্যান্ডেল ও কসমেটিক্সের দোকানেও বেচাকেনা বেশ জমজমাট। বিদেশি ব্রান্ডের পাশাপাশি দেশি জুতা স্যান্ডেলের প্রতি আকর্ষণ রয়েছে ক্রেতাদের। পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে চুরি কিংবা অন্যান্য প্রসাধনী কিনতে কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন নারীরা। সব মিলিয়ে জামা কাপড়, পোশাক, জুতা ও কসমেটিক্স এর দোকানে ভিড় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত।
দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সেলিম উদ্দিন জানান ঈদ-বাজার ঘিরে পুলিশ ও সাদা পোশাকে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছেন। ঈদের কেনাকাটা ঘিরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশ উপজেলার মার্কেট গুলোর সামনে সতর্ক অবস্থানে আছে। যেকোনো ধরনের অপরাধ চুরি, ছিনতাই ও জাল টাকা ঠেকাতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।