ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ঐতিহ্যের সাক্ষী ৪০০ বছরের প্রাচীন বাকেরগঞ্জের পিলখানা মুসাখান জামে মসজিদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:১১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে
বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার গোমা দুধল ইউনিয়নের পিলখানা গ্রামে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী দুধল পিলখানা মুসাখান জামে মসজিদ ও কেন্দ্রীয় ঈদগাহ প্রায় তিন শতাব্দী ধরে ইতিহাস ও ধর্মীয় চেতনার এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
১৭২০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এই প্রাচীন মসজিদটি ‘বড় মিয়া বাড়ি প্রধান সড়ক’ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং অত্র অঞ্চলের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত।
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করতে এখানে সমবেত হন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। পাশাপাশি এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও নান্দনিক স্থাপত্য দেখতে দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এসে নামাজ আদায় করেন এবং পরিদর্শন করেন সংলগ্ন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ।
স্থানীয়দের মতে, এই মসজিদ শুধু ইবাদতের স্থান নয়; এটি এলাকার অতীত ঐতিহ্য, ধর্মীয় চর্চা ও সামাজিক বন্ধনের প্রতীক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মসজিদটি ধর্মীয় অনুশাসন, ঐক্য ও আধ্যাত্মিকতার বার্তা ছড়িয়ে আসছে।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

দেশবাসীকে পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

ঐতিহ্যের সাক্ষী ৪০০ বছরের প্রাচীন বাকেরগঞ্জের পিলখানা মুসাখান জামে মসজিদ

প্রকাশিত : ১০:১১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার গোমা দুধল ইউনিয়নের পিলখানা গ্রামে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী দুধল পিলখানা মুসাখান জামে মসজিদ ও কেন্দ্রীয় ঈদগাহ প্রায় তিন শতাব্দী ধরে ইতিহাস ও ধর্মীয় চেতনার এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
১৭২০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এই প্রাচীন মসজিদটি ‘বড় মিয়া বাড়ি প্রধান সড়ক’ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং অত্র অঞ্চলের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত।
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করতে এখানে সমবেত হন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। পাশাপাশি এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও নান্দনিক স্থাপত্য দেখতে দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এসে নামাজ আদায় করেন এবং পরিদর্শন করেন সংলগ্ন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ।
স্থানীয়দের মতে, এই মসজিদ শুধু ইবাদতের স্থান নয়; এটি এলাকার অতীত ঐতিহ্য, ধর্মীয় চর্চা ও সামাজিক বন্ধনের প্রতীক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মসজিদটি ধর্মীয় অনুশাসন, ঐক্য ও আধ্যাত্মিকতার বার্তা ছড়িয়ে আসছে।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।