ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ঈশ্বরগঞ্জে জব্দকৃত ৪২০ কেজি চাল দুস্থদের মাঝে বিতরণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:২১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

Oplus_131072

ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মজুদ করা খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত এই চাল প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে উপজেলা প্রশাসন এ উদ্যোগ গ্রহণ করে।
সোমবার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় উপকারভোগী দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় থাকা ১৪ বস্তা চাল বিতরণ করা হয়। প্রতিটি বস্তার ওজন ৩০ কেজি হিসেবে মোট বিতরণকৃত চালের পরিমাণ ছিল ৪২০ কেজি।
এর আগে গত শনিবার বিকেলে উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এসব চাল জব্দ করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা জুবায়ের (২২)-এর বসতঘর ও দোকানে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি সিলমোহরযুক্ত চালগুলো উদ্ধার করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির জন্য নির্ধারিত চাল অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা হয়েছিল।
অভিযানটি পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান। এ সময় ঈশ্বরগঞ্জ থানার পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র সরকারি এ সহায়তার চাল সংগ্রহ করে বাজারজাত করার চেষ্টা করছিল, যার ফলে প্রকৃত দরিদ্র মানুষ তাদের ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান বলেন, “সরকারের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধভাবে মজুদ বা বিক্রির চেষ্টা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। যারা এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, দরিদ্র মানুষের প্রাপ্য খাদ্য যাতে কোনোভাবেই আত্মসাৎ না হয়, সে জন্য উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পরবর্তীতে জব্দকৃত চাল উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে সংরক্ষণ করে যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা অনুযায়ী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপকারভোগীদের মাঝে স্বস্তি ও সন্তোষের ভাব লক্ষ্য করা যায়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হবে। স্থানীয় সচেতন মহলও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং তারা মনে করছেন, নিয়মিত তদারকি ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের অনিয়ম অনেকাংশে কমে আসবে।

ঈশ্বরগঞ্জে জব্দকৃত ৪২০ কেজি চাল দুস্থদের মাঝে বিতরণ

প্রকাশিত : ১১:২১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মজুদ করা খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত এই চাল প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে উপজেলা প্রশাসন এ উদ্যোগ গ্রহণ করে।
সোমবার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় উপকারভোগী দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় থাকা ১৪ বস্তা চাল বিতরণ করা হয়। প্রতিটি বস্তার ওজন ৩০ কেজি হিসেবে মোট বিতরণকৃত চালের পরিমাণ ছিল ৪২০ কেজি।
এর আগে গত শনিবার বিকেলে উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এসব চাল জব্দ করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা জুবায়ের (২২)-এর বসতঘর ও দোকানে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি সিলমোহরযুক্ত চালগুলো উদ্ধার করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির জন্য নির্ধারিত চাল অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা হয়েছিল।
অভিযানটি পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান। এ সময় ঈশ্বরগঞ্জ থানার পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র সরকারি এ সহায়তার চাল সংগ্রহ করে বাজারজাত করার চেষ্টা করছিল, যার ফলে প্রকৃত দরিদ্র মানুষ তাদের ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান বলেন, “সরকারের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধভাবে মজুদ বা বিক্রির চেষ্টা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। যারা এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, দরিদ্র মানুষের প্রাপ্য খাদ্য যাতে কোনোভাবেই আত্মসাৎ না হয়, সে জন্য উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পরবর্তীতে জব্দকৃত চাল উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে সংরক্ষণ করে যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা অনুযায়ী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপকারভোগীদের মাঝে স্বস্তি ও সন্তোষের ভাব লক্ষ্য করা যায়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হবে। স্থানীয় সচেতন মহলও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং তারা মনে করছেন, নিয়মিত তদারকি ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের অনিয়ম অনেকাংশে কমে আসবে।