ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের হাওয়া ভোটের হিসেবে এগিয়ে মনজুর হোসেন মিলন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে
বরিশাল প্রতিনিধি : আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক সচেতন বলেখ্যাত বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সর্বত্র রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ের সর্বস্তরের ভোটারদের মাঝে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় দলের দুর্দীনে ২০১৭ সালে বিএনপি মনোনীত গৌরনদী উপজেলা পরিষদের ধানের শীষ মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মনজুর হোসেন মিলনকে নিয়ে ফের ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
দলের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সরিকল ইউনিয়নের ব্যাপক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন মিলনের উপজেলাজুড়ে রয়েছে বিশাল একটি ভোট ব্যাংক। তাছাড়াও দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হলে মনজুর হোসেন মিলন সবার উপরে রয়েছেন।
তৃণমূল পর্যায়ের অসংখ্য নেতাকর্মীরা বলেন, ২০১৭ সালে গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যখন কোন নেতা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে সাহস পায়নি, ঠিক তখনই নিজের ও পরিবারের মায়া ত্যাগ করে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে প্রার্থী হয়ে মাঠে নামেন মনজুর হোসেন মিলন। যেকারণে তৎকালীন স্থানীয় আওয়ামী লীগের চিহ্নিত ক্যাডার বাহিনী তার (মিলন) বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে প্রার্থী মনজুর হোসেন মিলনের সহধর্মীনিসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে মারধর করে আহত করেছিলো। ওইসময় জনপ্রিয় প্রার্থী মিলনের  কর্মী-সমর্থকরা একত্রিত হয়ে পাল্টা হামলা চালানোর ফলে হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলো।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, মনজুর হোসেন মিলন দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। দলের দুর্দীনে তিনি অসংখ্যবার হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। তাই দলের সুদিনে তাকে (মিলন) মূল্যায়ন করা হবে বলে তারা বিশ্বাস করছেন।
এ বিষয়ে মনজুর হোসেন মিলন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে রাজনীতি করে আসছি। সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দলের দুর্দীনে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি।
তিনি আরও বলেন, জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। তাই মহান আল্লাহতায়ালার উপর পূর্ণ ভরসা করে আমি শতভাগ বিশ্বাস করছি আমার অতীত কর্মকান্ড পর্যালোচনা করে গৌরনদী উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ তাদের দোয়া, আশীর্বাদ, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট আমাকে দিবেন। সেই আশায় অতীতের ন্যায় আমি আসন্ন গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করে জনগণের দ্বারে দ্বারে ছুঁটে চলছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

ডিমলার ১১ দিনের নবজাতকের হামের উপসর্গ নিয়ে রংপুরে মৃত্যু

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের হাওয়া ভোটের হিসেবে এগিয়ে মনজুর হোসেন মিলন

প্রকাশিত : ১১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
বরিশাল প্রতিনিধি : আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক সচেতন বলেখ্যাত বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সর্বত্র রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ের সর্বস্তরের ভোটারদের মাঝে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় দলের দুর্দীনে ২০১৭ সালে বিএনপি মনোনীত গৌরনদী উপজেলা পরিষদের ধানের শীষ মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মনজুর হোসেন মিলনকে নিয়ে ফের ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
দলের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সরিকল ইউনিয়নের ব্যাপক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন মিলনের উপজেলাজুড়ে রয়েছে বিশাল একটি ভোট ব্যাংক। তাছাড়াও দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হলে মনজুর হোসেন মিলন সবার উপরে রয়েছেন।
তৃণমূল পর্যায়ের অসংখ্য নেতাকর্মীরা বলেন, ২০১৭ সালে গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যখন কোন নেতা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে সাহস পায়নি, ঠিক তখনই নিজের ও পরিবারের মায়া ত্যাগ করে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে প্রার্থী হয়ে মাঠে নামেন মনজুর হোসেন মিলন। যেকারণে তৎকালীন স্থানীয় আওয়ামী লীগের চিহ্নিত ক্যাডার বাহিনী তার (মিলন) বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে প্রার্থী মনজুর হোসেন মিলনের সহধর্মীনিসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে মারধর করে আহত করেছিলো। ওইসময় জনপ্রিয় প্রার্থী মিলনের  কর্মী-সমর্থকরা একত্রিত হয়ে পাল্টা হামলা চালানোর ফলে হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলো।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, মনজুর হোসেন মিলন দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। দলের দুর্দীনে তিনি অসংখ্যবার হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। তাই দলের সুদিনে তাকে (মিলন) মূল্যায়ন করা হবে বলে তারা বিশ্বাস করছেন।
এ বিষয়ে মনজুর হোসেন মিলন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে রাজনীতি করে আসছি। সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দলের দুর্দীনে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি।
তিনি আরও বলেন, জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। তাই মহান আল্লাহতায়ালার উপর পূর্ণ ভরসা করে আমি শতভাগ বিশ্বাস করছি আমার অতীত কর্মকান্ড পর্যালোচনা করে গৌরনদী উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ তাদের দোয়া, আশীর্বাদ, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট আমাকে দিবেন। সেই আশায় অতীতের ন্যায় আমি আসন্ন গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করে জনগণের দ্বারে দ্বারে ছুঁটে চলছি।