ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

মৌলভীবাজারে হামের উপসর্গের সংখ্যা বৃদ্ধি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে
সময় যত গড়াচ্ছে, মৌলভীবাজারে হামের লক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যার হাড় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় সংক্রমণ রোধে হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশন কর্নার করে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার(৬ই এপ্রিল) মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলা সদর হাসপাতালে ২০ শয্যার আইসোলেশন কর্নার চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচ শয্যার আইসোলেশন কর্নার চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ১৩ জন রোগী আইসোলেশন কর্নারে ভর্তি রয়েছেন চিকিৎসাধীন অবস্থায়।
সদর হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. আহমেদ ফয়সল জামান বলেন, এ পর্যন্ত ৩০ জন রোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি গিয়েছেন। এখন ১৩ জন রোগী ভর্তি আছেন।
মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন মো. মামুনুর রহমান বলেন, জেলার বিভিন্ন উপজেলা হাসপাতালে ১০০ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। সদর হাসপাতালে ২০ শয্যার আইসোলেশন কর্নার চালু করা হয়েছে। প্রয়োজনে এর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। এ ছাড়া, অনেকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ঢাকা থেকে রিপোর্ট আসতে একটু বিলম্ব হয়। প্রতিদিন হামের লক্ষণ নিয়ে অনেকেই আসছেন তার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিদেশি মদসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজারে হামের উপসর্গের সংখ্যা বৃদ্ধি

প্রকাশিত : ০৭:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
সময় যত গড়াচ্ছে, মৌলভীবাজারে হামের লক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যার হাড় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় সংক্রমণ রোধে হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশন কর্নার করে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার(৬ই এপ্রিল) মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলা সদর হাসপাতালে ২০ শয্যার আইসোলেশন কর্নার চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচ শয্যার আইসোলেশন কর্নার চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ১৩ জন রোগী আইসোলেশন কর্নারে ভর্তি রয়েছেন চিকিৎসাধীন অবস্থায়।
সদর হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. আহমেদ ফয়সল জামান বলেন, এ পর্যন্ত ৩০ জন রোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি গিয়েছেন। এখন ১৩ জন রোগী ভর্তি আছেন।
মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন মো. মামুনুর রহমান বলেন, জেলার বিভিন্ন উপজেলা হাসপাতালে ১০০ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। সদর হাসপাতালে ২০ শয্যার আইসোলেশন কর্নার চালু করা হয়েছে। প্রয়োজনে এর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। এ ছাড়া, অনেকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ঢাকা থেকে রিপোর্ট আসতে একটু বিলম্ব হয়। প্রতিদিন হামের লক্ষণ নিয়ে অনেকেই আসছেন তার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।