ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

৪০ বছর পর সরাসরি আলোচনায় লেবানন-ইসরায়েল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০২:০২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৩৯ বার দেখা হয়েছে

দীর্ঘ ৪০ বছর পর দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসেছে লেবানন। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দখলদারদের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে লেবাননের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হবে। এই আলোচনার মূলকেন্দ্রে থাকবে যুদ্ধবিরতি ও হিজবুল্লাহ।

ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার আলোচনার আগে বলেন, “ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে বড় ধরনের কোনো ঝামেলা নেই। সমস্যা হলো হিজবুল্লাহ।”

তিনি বলেছেন লেবাননের সঙ্গে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রকরণ নিয়ে আলোচনা হবে। লক্ষ্য থাকবে আলোচনা নতুন স্তরে নিয়ে যাওয়া যেখান থেকে লেবাননের সঙ্গে তারা শান্তি ও স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি করতে পারবেন।

এদিকে ওয়াশিংটনের এ আলোচনার বিরোধীতা করেছে হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি বলেছে, সেখান থেকে যে সিদ্ধান্তই আসুক তারা এটি মানবে না।

সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলেছে, লেবাননের সরকার বর্তমান যুদ্ধের জন্য হিজবুল্লাহকে দায়ী করে। কিন্তু হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রকরণের ক্ষমতা দেশটির সরকার ও সেনাবাহিনীর নেই।

এ আলোচনার আগেও সীমান্তে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি সেনাদের মধ্যে লড়াই চলছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। এর এক সপ্তাহ পর ইরানের পক্ষে ইসরায়েলে হামলা শুরু করে হিজবুল্লাহ। গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি হলেও; লেবাননে এটি কার্যকর করেনি ইসরায়েল।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনায় বেড়েছে বাল্যবিয়ে, ১১ মাসে সরকারি বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় প্রতিরোধ প্রায় ২১টি

৪০ বছর পর সরাসরি আলোচনায় লেবানন-ইসরায়েল

প্রকাশিত : ০২:০২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ ৪০ বছর পর দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসেছে লেবানন। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দখলদারদের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে লেবাননের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হবে। এই আলোচনার মূলকেন্দ্রে থাকবে যুদ্ধবিরতি ও হিজবুল্লাহ।

ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার আলোচনার আগে বলেন, “ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে বড় ধরনের কোনো ঝামেলা নেই। সমস্যা হলো হিজবুল্লাহ।”

তিনি বলেছেন লেবাননের সঙ্গে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রকরণ নিয়ে আলোচনা হবে। লক্ষ্য থাকবে আলোচনা নতুন স্তরে নিয়ে যাওয়া যেখান থেকে লেবাননের সঙ্গে তারা শান্তি ও স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি করতে পারবেন।

এদিকে ওয়াশিংটনের এ আলোচনার বিরোধীতা করেছে হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি বলেছে, সেখান থেকে যে সিদ্ধান্তই আসুক তারা এটি মানবে না।

সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলেছে, লেবাননের সরকার বর্তমান যুদ্ধের জন্য হিজবুল্লাহকে দায়ী করে। কিন্তু হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রকরণের ক্ষমতা দেশটির সরকার ও সেনাবাহিনীর নেই।

এ আলোচনার আগেও সীমান্তে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি সেনাদের মধ্যে লড়াই চলছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। এর এক সপ্তাহ পর ইরানের পক্ষে ইসরায়েলে হামলা শুরু করে হিজবুল্লাহ। গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি হলেও; লেবাননে এটি কার্যকর করেনি ইসরায়েল।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করছেন।