ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:০৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবির পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথের মন্ত্রিত্ব অনিশ্চয়তায় পড়েছে। দলটির অনেক নেতাই বলছেন, ট্রাম্পকে ভুল বুঝিয়ে যে কয়জন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছেন, পেটে হেগসেথ তাদের মধ্যে একজন। তাদের মতে, এই ‘অজনপ্রিয়’ যুদ্ধের কারণে সাধারণ মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন। কারণ যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম ইতিহাসে সর্বোচ্চ হয়েছিল। সেটিকে তারা ভালোভাবে নেননি।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, নির্বাচনের পর এখন সবার নজর হেগসেথের দিকে।

যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হেগসেথের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। কিন্তু তিনি নিজে স্বীকার করেছেন, ইরানের যুদ্ধের মূল্য তাদের নির্বাচন দিয়ে দিতে হয়েছে। তবে সঙ্গে তিনি এও বলেছেন, ইরানে হামলা চালানোটাও তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে টেলিফোনে বলেছেন, হেগসেথকে নিয়ে তাকে অনেকেই ফোন করছেন। কিন্তু কেন তারা ফোন করছেন সেটি বুঝতে পারছেন না তিনি। তার মতে হেগসেথ তার দায়িত্ব ঠিকভাবেই পালন করেছেন। ট্রাম্প বলেছেন, “তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে রাখতে আমার সবধরনের চিন্তাভাবনাই আছে।”

রিপাবলিকান পার্টির প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য থমাস ম্যাসি, যিনি ট্রাম্পের একজন বড় সমালোচক, তিনি বলেছেন, নতুন কংগ্রেস গঠনের আগেই যেন হেগসেথকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

এক্সে এই এমপি লিখেছেন, “সিনেটে পরিবর্তনগুলো নিশ্চিত হওয়ার আগেই ট্রাম্পকে হেগসেথের সরিয়ে দেওয়া উচিত।”

 

জনপ্রিয় সংবাদ

আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ

আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ

প্রকাশিত : ১২:০৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবির পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথের মন্ত্রিত্ব অনিশ্চয়তায় পড়েছে। দলটির অনেক নেতাই বলছেন, ট্রাম্পকে ভুল বুঝিয়ে যে কয়জন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছেন, পেটে হেগসেথ তাদের মধ্যে একজন। তাদের মতে, এই ‘অজনপ্রিয়’ যুদ্ধের কারণে সাধারণ মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন। কারণ যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম ইতিহাসে সর্বোচ্চ হয়েছিল। সেটিকে তারা ভালোভাবে নেননি।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, নির্বাচনের পর এখন সবার নজর হেগসেথের দিকে।

যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হেগসেথের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। কিন্তু তিনি নিজে স্বীকার করেছেন, ইরানের যুদ্ধের মূল্য তাদের নির্বাচন দিয়ে দিতে হয়েছে। তবে সঙ্গে তিনি এও বলেছেন, ইরানে হামলা চালানোটাও তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে টেলিফোনে বলেছেন, হেগসেথকে নিয়ে তাকে অনেকেই ফোন করছেন। কিন্তু কেন তারা ফোন করছেন সেটি বুঝতে পারছেন না তিনি। তার মতে হেগসেথ তার দায়িত্ব ঠিকভাবেই পালন করেছেন। ট্রাম্প বলেছেন, “তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে রাখতে আমার সবধরনের চিন্তাভাবনাই আছে।”

রিপাবলিকান পার্টির প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য থমাস ম্যাসি, যিনি ট্রাম্পের একজন বড় সমালোচক, তিনি বলেছেন, নতুন কংগ্রেস গঠনের আগেই যেন হেগসেথকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

এক্সে এই এমপি লিখেছেন, “সিনেটে পরিবর্তনগুলো নিশ্চিত হওয়ার আগেই ট্রাম্পকে হেগসেথের সরিয়ে দেওয়া উচিত।”