ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:১৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৫৬ বার দেখা হয়েছে

ইরান হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যায়।

বাজার বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিনের শুরুতে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৯৮ ডলারের উপরে থাকলেও ঘোষণার পর তা ৯০ ডলারের নিচে নেমে আসে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের বাজার সূচক ‘নাইমেক্স’ (NYMEX)-এ লাইট সুইট ক্রুডের দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার আগে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল প্রতি ব্যারেল ৭০ ডলারের নিচে। কিন্তু মার্চ মাসের শুরুতে সংঘাতের জেরে এই দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায় এবং মাসের শেষের দিকে তা রেকর্ড ১১৯ ডলারে পৌঁছায়। দীর্ঘ উত্তেজনার পর সমুদ্রপথটি খুলে দেওয়ায় সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশায় বাজারে এই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

মূলত লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রেক্ষিতে ইরান এই সিদ্ধান্ত নেয়। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম তেল পরিবহন পথ হওয়ায় এই পথটি খুলে দেওয়া বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে তেলের দাম আরও স্থিতিশীল হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনায় বেড়েছে বাল্যবিয়ে, ১১ মাসে সরকারি বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় প্রতিরোধ প্রায় ২১টি

বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

প্রকাশিত : ০৭:১৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরান হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যায়।

বাজার বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিনের শুরুতে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৯৮ ডলারের উপরে থাকলেও ঘোষণার পর তা ৯০ ডলারের নিচে নেমে আসে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের বাজার সূচক ‘নাইমেক্স’ (NYMEX)-এ লাইট সুইট ক্রুডের দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার আগে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল প্রতি ব্যারেল ৭০ ডলারের নিচে। কিন্তু মার্চ মাসের শুরুতে সংঘাতের জেরে এই দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায় এবং মাসের শেষের দিকে তা রেকর্ড ১১৯ ডলারে পৌঁছায়। দীর্ঘ উত্তেজনার পর সমুদ্রপথটি খুলে দেওয়ায় সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশায় বাজারে এই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

মূলত লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রেক্ষিতে ইরান এই সিদ্ধান্ত নেয়। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম তেল পরিবহন পথ হওয়ায় এই পথটি খুলে দেওয়া বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে তেলের দাম আরও স্থিতিশীল হতে পারে।