ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

মাছ ব্যবসায়ী বাবু হত্যা মামলার প্রধান আসামি মধু গ্রেপ্তার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:২১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

বরিশাল প্রতিনিধি : বরিশাল নগরীর পলাশপুর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মৎস্য ব্যবসায়ী জসীম সিকদার বাবু হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি হৃদয় সরদার ওরফে মধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের বিশেষ আভিযানিক দল।

সোমবার (১৮ মে) দুপুর ২টার দিকে নগরীর টিয়াখালী দরগাবাড়ি এলাকায় চাচা আরিফ সরদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে কাউনিয়া থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ।

তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাবু হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি মধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মধু পলাশপুর এলাকার বাসিন্দা। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন।

এ নিয়ে মামলার প্রধান আসামিসহ এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মে রাত পৌনে তিনটার দিকে জসীম সিকদার বাবুকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পলাশপুর কলোনির ৭ নম্বর গলিতে কুপিয়ে হত্যা করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। নিহত বাবু ওই এলাকার কালাম শিকদারের ছেলে।

হত্যাকাণ্ডের দিনই সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য সিয়াম ও শহীদকে গ্রেপ্তার করে কাউনিয়া থানা পুলিশ।

পরে এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে মধুসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

এর আগে রবিবার দুপুরে নগরীর সদর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী।

পরে পুলিশ দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেন। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি মধুকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মধুকে গ্রেপ্তার করায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার পবিত্র কুমার হালদার জানান, বাবু হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি মধুকে পুলিশ ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

তাকে বর্তমানে জিজ্ঞেসাবাদ চলছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আগামিকাল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

দাউদকান্দিতে তিনদিন ব্যাপী ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন

মাছ ব্যবসায়ী বাবু হত্যা মামলার প্রধান আসামি মধু গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৯:২১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

বরিশাল প্রতিনিধি : বরিশাল নগরীর পলাশপুর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মৎস্য ব্যবসায়ী জসীম সিকদার বাবু হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি হৃদয় সরদার ওরফে মধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের বিশেষ আভিযানিক দল।

সোমবার (১৮ মে) দুপুর ২টার দিকে নগরীর টিয়াখালী দরগাবাড়ি এলাকায় চাচা আরিফ সরদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে কাউনিয়া থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ।

তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাবু হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি মধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মধু পলাশপুর এলাকার বাসিন্দা। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন।

এ নিয়ে মামলার প্রধান আসামিসহ এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মে রাত পৌনে তিনটার দিকে জসীম সিকদার বাবুকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পলাশপুর কলোনির ৭ নম্বর গলিতে কুপিয়ে হত্যা করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। নিহত বাবু ওই এলাকার কালাম শিকদারের ছেলে।

হত্যাকাণ্ডের দিনই সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য সিয়াম ও শহীদকে গ্রেপ্তার করে কাউনিয়া থানা পুলিশ।

পরে এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে মধুসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

এর আগে রবিবার দুপুরে নগরীর সদর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী।

পরে পুলিশ দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেন। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি মধুকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মধুকে গ্রেপ্তার করায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার পবিত্র কুমার হালদার জানান, বাবু হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি মধুকে পুলিশ ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

তাকে বর্তমানে জিজ্ঞেসাবাদ চলছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আগামিকাল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।