ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় উঠে আসছেন সোহাগ ভূঁইয়া

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০২:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে জোর আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় সাবেক ছাত্রনেতা সোহাগ ভূঁইয়া। আসন্ন কমিটিতে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বড় ধরনের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। বিগত সরকারের আমলে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ, একাধিক মামলা, কারাবরণ ও রিমান্ডে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হওয়াসহ দলের জন্য তাঁর ত্যাগই তাঁকে এই পদের অন্যতম যোগ্য দাবিদারে পরিণত করেছে বলে মনে করছেন মাঠপর্যায়ের কর্মীরা।

দলের সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা জানান, সরকারবিরোধী কঠোর আন্দোলন, বিএনপির বিভিন্ন কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সাংগঠনিক তৎপরতায় ধারাবাহিক সক্রিয়তার কারণে সোহাগ ভূঁইয়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য বেশ এগিয়ে রয়েছেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, এক নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সর্বশেষ সফলতার সাথে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সরকারের সময় আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখার কারণে সোহাগ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে রেকর্ড ৭৬টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেন। এছাড়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে পাঁচ দিন গুম থাকার পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁর সন্ধান মেলে এবং তাঁর পরিবারের ২১ সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। একটি মামলায় আদালত তাঁকে ১০ বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দিলে তিনি সেই সাজা ভোগ করছিলেন। পরবর্তীতে গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি কারামুক্ত হন। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি একজন ‘মাঠের কর্মী’ ও ‘ত্যাগী ছাত্রনেতা’ হিসেবেই পরিচিত।

বিএনপির একাধিক সূত্র গণমাধ্যমকে জানান, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবার এমন ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, সাংগঠনিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে দক্ষ। সেই বিবেচনা ও রাজনৈতিক ট্র্যাক রেকর্ডে সোহাগ ভূঁইয়াকে সাধারণ সম্পাদক পদের অন্যতম শক্ত দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই পদের জন্য আরও কয়েকজন নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। শেষ পর্যন্ত দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তেই চূড়ান্ত নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে।

এ বিষয়ে সোহাগ ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “দল আমাকে যে দায়িত্ব দেবে, ইনশাআল্লাহ তা যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব। আমার কাছে সর্বক্ষেত্রে দলীয় সিদ্ধান্তই বড়। পদ-পদবির বিষয়ে আমাদের অভিভাবক, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটিই চূড়ান্ত এবং আমরা তা মেনে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকব।

‘মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড’ হলো কুর্মিটোলা হাসপাতাল

ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় উঠে আসছেন সোহাগ ভূঁইয়া

প্রকাশিত : ০২:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে জোর আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় সাবেক ছাত্রনেতা সোহাগ ভূঁইয়া। আসন্ন কমিটিতে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বড় ধরনের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। বিগত সরকারের আমলে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ, একাধিক মামলা, কারাবরণ ও রিমান্ডে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হওয়াসহ দলের জন্য তাঁর ত্যাগই তাঁকে এই পদের অন্যতম যোগ্য দাবিদারে পরিণত করেছে বলে মনে করছেন মাঠপর্যায়ের কর্মীরা।

দলের সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা জানান, সরকারবিরোধী কঠোর আন্দোলন, বিএনপির বিভিন্ন কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সাংগঠনিক তৎপরতায় ধারাবাহিক সক্রিয়তার কারণে সোহাগ ভূঁইয়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য বেশ এগিয়ে রয়েছেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, এক নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সর্বশেষ সফলতার সাথে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সরকারের সময় আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখার কারণে সোহাগ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে রেকর্ড ৭৬টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেন। এছাড়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে পাঁচ দিন গুম থাকার পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁর সন্ধান মেলে এবং তাঁর পরিবারের ২১ সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। একটি মামলায় আদালত তাঁকে ১০ বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দিলে তিনি সেই সাজা ভোগ করছিলেন। পরবর্তীতে গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি কারামুক্ত হন। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি একজন ‘মাঠের কর্মী’ ও ‘ত্যাগী ছাত্রনেতা’ হিসেবেই পরিচিত।

বিএনপির একাধিক সূত্র গণমাধ্যমকে জানান, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবার এমন ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, সাংগঠনিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে দক্ষ। সেই বিবেচনা ও রাজনৈতিক ট্র্যাক রেকর্ডে সোহাগ ভূঁইয়াকে সাধারণ সম্পাদক পদের অন্যতম শক্ত দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই পদের জন্য আরও কয়েকজন নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। শেষ পর্যন্ত দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তেই চূড়ান্ত নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে।

এ বিষয়ে সোহাগ ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “দল আমাকে যে দায়িত্ব দেবে, ইনশাআল্লাহ তা যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব। আমার কাছে সর্বক্ষেত্রে দলীয় সিদ্ধান্তই বড়। পদ-পদবির বিষয়ে আমাদের অভিভাবক, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটিই চূড়ান্ত এবং আমরা তা মেনে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকব।