ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

৬ বিলিয়নের বেশি ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি প্রবাহ বাড়ায় বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার জোগান ও চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ছয়টি ব্যাংক থেকে সাড়ে আট কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এই ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট উভয়ই ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

সবমিলিয়ে চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৬০৬ কোটি মার্কিন ডলার অর্থাৎ ৬.০৬ বিলিয়ন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে শুধু চলতি মে মাসেই এখন পর্যন্ত কেনা হয়েছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, ২০২২ সালে দেশের ডলারের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। তখন প্রতি ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১২২ টাকায় পৌঁছায়। তৎকালীন সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা পদক্ষেপ নিলেও ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। একপর্যায়ে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি শুরু করতে হয়, যার ফলে রিজার্ভে টান পড়ে।

রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ডলার ক্রয়ের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। ১৯ মে দিনের শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলারে। আর আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী তা রয়েছে ২৯.৬৬ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল ২০২১ সালের আগস্টে। সেখান থেকে ধারাবাহিকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় রিজার্ভ নেমে আসে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে।

এদিকে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে পণ্য রপ্তানি আয় ৪০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২.৯২ শতাংশ বেশি। গত বছর এপ্রিল মাসে রপ্তানি আয় ছিল ৩০১ কোটি ডলার।

যশোরের শার্শা সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও র‍‍্যাব এর যৌথ অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক -১

৬ বিলিয়নের বেশি ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রকাশিত : ০৯:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি প্রবাহ বাড়ায় বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার জোগান ও চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ছয়টি ব্যাংক থেকে সাড়ে আট কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এই ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট উভয়ই ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

সবমিলিয়ে চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৬০৬ কোটি মার্কিন ডলার অর্থাৎ ৬.০৬ বিলিয়ন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে শুধু চলতি মে মাসেই এখন পর্যন্ত কেনা হয়েছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, ২০২২ সালে দেশের ডলারের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। তখন প্রতি ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১২২ টাকায় পৌঁছায়। তৎকালীন সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা পদক্ষেপ নিলেও ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। একপর্যায়ে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি শুরু করতে হয়, যার ফলে রিজার্ভে টান পড়ে।

রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ডলার ক্রয়ের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। ১৯ মে দিনের শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলারে। আর আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী তা রয়েছে ২৯.৬৬ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল ২০২১ সালের আগস্টে। সেখান থেকে ধারাবাহিকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় রিজার্ভ নেমে আসে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে।

এদিকে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে পণ্য রপ্তানি আয় ৪০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২.৯২ শতাংশ বেশি। গত বছর এপ্রিল মাসে রপ্তানি আয় ছিল ৩০১ কোটি ডলার।