ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬

কালিয়াকৈরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬টি কক্ষ ও ৪টি দোকান ভস্মীভূত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:০০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

কালিয়াকৈর প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ জোড়াপাম্প এলাকায় মঙ্গলবার (২জুন) রাত ১১টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬টি বসতঘরের কক্ষসহ ৪টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও ক্ষতিগ্রস্থদের দাবি, প্রায় কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টার দিকে কালিয়াকৈর পল্লী বিদ্যুৎ চন্দ্রা জোড়া পাম্পের পিছনে সখিনাড় মোড় এলাকার একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের সেমিপাকা বসতঘর টিনসেট ও দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা ও ধোঁয়ায় ঘুমন্ত মানুষজন প্রাণ বাঁচাতে দিগ্বিদিক ছুটতে থাকেন।

খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই ১৬টি কক্ষ ও ৪টি দোকানের আসবাবপত্র, মালামাল, নগদ টাকা-পয়সা পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

জোড়া পাম্পের পিছনে বসবাসকারী ক্ষতিগ্রস্ত আরফান আলী মন্ঠু বলেন, আমার দোকান ও ঘরসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নগদ টাকা, মালামাল মিলিয়ে প্রায় কয়েক লক্ষাধিক টাকার ওপর ক্ষতি হয়েছে। এখন বউ-বাচ্চা নিয়ে রাস্তায় বসেছি। সরকারি সহায়তা চাই।

আরেক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানে ৪-৫ লাখ টাকার মাল ছিল। আগুনে সব শেষ। এখন পথে বসেছি। এক গৃহবধূ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঘরের জিনিসপত্র, জামাকাপড়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিছুই বের করতে পারিনি। বাচ্চা নিয়ে এখন কোথায় যাব জানি না।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ডিউটি অফিসার মোফাজ্জল হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে মনে হচ্ছে। দ্রুত খবর পাওয়ায় আগুন পাশের আরো স্থাপনায় ছড়াতে পারেনি। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে নিরূপণ করা হবে।

অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবক ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে খাবার, কাপড় ও নগদ অর্থ সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয়রা বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপত্তা জোরদার,পুরনো তার দ্রুত পরিবর্তন ও অগ্নি-নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।

জলঢাকায় নৌকা তৈরীতে ব্যস্ত তিস্তার পারের নৌকার কারিগররা

কালিয়াকৈরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬টি কক্ষ ও ৪টি দোকান ভস্মীভূত

প্রকাশিত : ০৬:০০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

কালিয়াকৈর প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ জোড়াপাম্প এলাকায় মঙ্গলবার (২জুন) রাত ১১টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬টি বসতঘরের কক্ষসহ ৪টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও ক্ষতিগ্রস্থদের দাবি, প্রায় কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টার দিকে কালিয়াকৈর পল্লী বিদ্যুৎ চন্দ্রা জোড়া পাম্পের পিছনে সখিনাড় মোড় এলাকার একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের সেমিপাকা বসতঘর টিনসেট ও দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা ও ধোঁয়ায় ঘুমন্ত মানুষজন প্রাণ বাঁচাতে দিগ্বিদিক ছুটতে থাকেন।

খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই ১৬টি কক্ষ ও ৪টি দোকানের আসবাবপত্র, মালামাল, নগদ টাকা-পয়সা পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

জোড়া পাম্পের পিছনে বসবাসকারী ক্ষতিগ্রস্ত আরফান আলী মন্ঠু বলেন, আমার দোকান ও ঘরসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নগদ টাকা, মালামাল মিলিয়ে প্রায় কয়েক লক্ষাধিক টাকার ওপর ক্ষতি হয়েছে। এখন বউ-বাচ্চা নিয়ে রাস্তায় বসেছি। সরকারি সহায়তা চাই।

আরেক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানে ৪-৫ লাখ টাকার মাল ছিল। আগুনে সব শেষ। এখন পথে বসেছি। এক গৃহবধূ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঘরের জিনিসপত্র, জামাকাপড়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিছুই বের করতে পারিনি। বাচ্চা নিয়ে এখন কোথায় যাব জানি না।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ডিউটি অফিসার মোফাজ্জল হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে মনে হচ্ছে। দ্রুত খবর পাওয়ায় আগুন পাশের আরো স্থাপনায় ছড়াতে পারেনি। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে নিরূপণ করা হবে।

অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবক ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে খাবার, কাপড় ও নগদ অর্থ সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয়রা বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপত্তা জোরদার,পুরনো তার দ্রুত পরিবর্তন ও অগ্নি-নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।