ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

৪৫ হাজার থেকে ৭ মিলিয়ন ফলোয়ার ভোজিনহার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:৩১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ১১৭ বার দেখা হয়েছে

বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চ যে রাতারাতি কাউকে বৈশ্বিক তারকা বানিয়ে দিতে পারে, এর বড় প্রমাণ মিলল আরও একবার। মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেও যাকে ফুটবল দুনিয়ার খুব কম মানুষই চিনতো, সেই গোলরক্ষক এখন নেটদুনিয়ার নতুন সেনসেশন। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র ৯০ মিনিটের মাঠের লড়াইয়ে ভাগ্য বদলে গেছে কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক জোসিমার দায়াসের, যিনি ফুটবল বিশ্বে ভোজিনহা নামে পরিচিত।

২০২৬ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে স্পেনের মতো বিশ্বসেরা আক্রমণভাগের সামনে গোলপোস্টের নিচে প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ৪০ বছর বয়সী এই আফ্রিকান গোলরক্ষক। লামিন ইয়ামাল, নিকো উইলিয়ামসদের একের পর এক আক্রমণ যেভাবে তিনি ঠান্ডা মাথায় রুখে দিয়েছেন, তা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর মন জয় করে নিয়েছে।

ম্যাচ শুরুর আগে ভোজিনহার ইনস্টাগ্রাম ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ফলোয়ারের সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৫ থেকে ৫০ হাজারের কাছাকাছি। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তরা তার অ্যাকাউন্টে হুমড়ি খেয়ে পড়েন।

পুরো নাম জোসিমার ডায়াস হলেও কেপ ভার্দের মানুষ তাকে চেনেন ভোজিনহা নামে। ২০০৭ সাল থেকে দেশের হয়ে খেলছেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আফ্রিকার বিভিন্ন ক্লাব ও ইউরোপের ছোটখাটো লিগে খেললেও বিশ্বমঞ্চে লাইমলাইট পাওয়ার সুযোগ হয়নি কখনো। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে, সম্ভবত নিজের শেষ বিশ্বকাপে এসে স্পেনের বিপক্ষে সেই ঐতিহাসিক ৯০ মিনিট তার পুরো জীবনটাই বদলে দিল।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের তাপমাত্রা সর্বত্র কমতে পারে

৪৫ হাজার থেকে ৭ মিলিয়ন ফলোয়ার ভোজিনহার

প্রকাশিত : ১০:৩১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চ যে রাতারাতি কাউকে বৈশ্বিক তারকা বানিয়ে দিতে পারে, এর বড় প্রমাণ মিলল আরও একবার। মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেও যাকে ফুটবল দুনিয়ার খুব কম মানুষই চিনতো, সেই গোলরক্ষক এখন নেটদুনিয়ার নতুন সেনসেশন। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র ৯০ মিনিটের মাঠের লড়াইয়ে ভাগ্য বদলে গেছে কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক জোসিমার দায়াসের, যিনি ফুটবল বিশ্বে ভোজিনহা নামে পরিচিত।

২০২৬ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে স্পেনের মতো বিশ্বসেরা আক্রমণভাগের সামনে গোলপোস্টের নিচে প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ৪০ বছর বয়সী এই আফ্রিকান গোলরক্ষক। লামিন ইয়ামাল, নিকো উইলিয়ামসদের একের পর এক আক্রমণ যেভাবে তিনি ঠান্ডা মাথায় রুখে দিয়েছেন, তা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর মন জয় করে নিয়েছে।

ম্যাচ শুরুর আগে ভোজিনহার ইনস্টাগ্রাম ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ফলোয়ারের সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৫ থেকে ৫০ হাজারের কাছাকাছি। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তরা তার অ্যাকাউন্টে হুমড়ি খেয়ে পড়েন।

পুরো নাম জোসিমার ডায়াস হলেও কেপ ভার্দের মানুষ তাকে চেনেন ভোজিনহা নামে। ২০০৭ সাল থেকে দেশের হয়ে খেলছেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আফ্রিকার বিভিন্ন ক্লাব ও ইউরোপের ছোটখাটো লিগে খেললেও বিশ্বমঞ্চে লাইমলাইট পাওয়ার সুযোগ হয়নি কখনো। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে, সম্ভবত নিজের শেষ বিশ্বকাপে এসে স্পেনের বিপক্ষে সেই ঐতিহাসিক ৯০ মিনিট তার পুরো জীবনটাই বদলে দিল।