ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উপকূলে পাটের সম্ভাবনা জাগাতে কলাপাড়ায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • ১১৬ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: উপকূলীয় অঞ্চলে পাটের বীজ, পাট ও পাটজাতীয় আঁশের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পাট চাষে উদ্বুদ্ধ করতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে উপকূলীয় এলাকায় পাট চাষের সম্ভাবনাকে আরও সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলার পাট গবেষণা উপকেন্দ্রে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. নার্গীস আক্তার। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষক ও কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের উন্নত জাতের পাট ও পাটবীজ উৎপাদন, আধুনিক চাষাবাদ প্রযুক্তি, রোগ ও পোকামাকড় দমন, মানসম্মত আঁশ উৎপাদন, পাট সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বাজারজাতকরণের আধুনিক কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন ও মাটির বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় কীভাবে অধিক ফলনশীল পাট চাষ সম্প্রসারণ করা যায়, সে বিষয়েও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

কর্মশালায় প্রশিক্ষকরা বলেন, পরিবেশবান্ধব ও বহুমুখী ব্যবহারযোগ্য প্রাকৃতিক আঁশ হিসেবে বিশ্ববাজারে পাটের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চলে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে পাট চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের রপ্তানি আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হবে।
প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া কৃষকরা জানান, আধুনিক পদ্ধতিতে পাট চাষ, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের বিষয়ে তারা নতুন ধারণা পেয়েছেন। এসব প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করতে পারলে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
এ কর্মশালায় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (পিটিসি) গোলাম মস্তফা, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ইয়ারউদ্দিন সরকার, কলাপাড়া পাট গবেষণা উপকেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবদুল্লাহহ আল বাক্কীসহ ইনস্টিটিউটের অন্যান্য কর্মকর্তা, গবেষক এবং স্থানীয় কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ওসির যোগসাজশে বদলির পরও চার্জশিট দিলেন এসআই, তদন্ত করছে পুলিশ

উপকূলে পাটের সম্ভাবনা জাগাতে কলাপাড়ায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

প্রকাশিত : ০৬:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: উপকূলীয় অঞ্চলে পাটের বীজ, পাট ও পাটজাতীয় আঁশের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পাট চাষে উদ্বুদ্ধ করতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে উপকূলীয় এলাকায় পাট চাষের সম্ভাবনাকে আরও সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলার পাট গবেষণা উপকেন্দ্রে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. নার্গীস আক্তার। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষক ও কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের উন্নত জাতের পাট ও পাটবীজ উৎপাদন, আধুনিক চাষাবাদ প্রযুক্তি, রোগ ও পোকামাকড় দমন, মানসম্মত আঁশ উৎপাদন, পাট সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বাজারজাতকরণের আধুনিক কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন ও মাটির বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় কীভাবে অধিক ফলনশীল পাট চাষ সম্প্রসারণ করা যায়, সে বিষয়েও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

কর্মশালায় প্রশিক্ষকরা বলেন, পরিবেশবান্ধব ও বহুমুখী ব্যবহারযোগ্য প্রাকৃতিক আঁশ হিসেবে বিশ্ববাজারে পাটের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চলে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে পাট চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের রপ্তানি আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হবে।
প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া কৃষকরা জানান, আধুনিক পদ্ধতিতে পাট চাষ, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের বিষয়ে তারা নতুন ধারণা পেয়েছেন। এসব প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করতে পারলে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
এ কর্মশালায় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (পিটিসি) গোলাম মস্তফা, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ইয়ারউদ্দিন সরকার, কলাপাড়া পাট গবেষণা উপকেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবদুল্লাহহ আল বাক্কীসহ ইনস্টিটিউটের অন্যান্য কর্মকর্তা, গবেষক এবং স্থানীয় কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।