ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

দুমকিতে সাড়ে ছয় বছরেও নির্মান কাজ শেষ হয়নি জলিশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন- শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

দুমকী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের জলিশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের নির্মান কাজ সাড়ে ছয় বছরেও শেষ হয়নি।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানা যায় ২০২০ সালে ৩রা মার্চ মোঃ হাদিউস জামান নির্বাহী প্রকৌশলী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর পটুয়াখালী কর্তৃক স্বাক্ষরিত পত্রে নির্মান কাজের ব্যয় ৮০লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার কাজটি পটুয়াখালীর টাউন কালিকাপুরের মেসার্স হাসান এন্ড ব্রাদার্স ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যালয়ের নির্মান কাজ শুরু করেন। ২০২০ সালের পর বিদ্যালয়ের নির্মান কাজের ভিম থেকে ৫/ ৬ফুটের মত কলম তুলে কাজটি আর সামনে অগ্রসর হয়নি। যার টেন্ডার আইডি নং- ৩৭০১৫৮। বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মার্জিয়া তাবাচ্ছুম অনন্যা জানান, বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে নতুন ভবনের কাজ শুরু হতে দেখে খুব আনন্দিত হয়েছিলাম কিন্তু দুখের বিষয় বিদ্যালয় থেকে বিদায় নেওয়ার সময়ও নতুন ভবনে ক্লাস করে যেতে পারব না। ভবন না থাকায় আমাদের শ্রেণি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে কাজ শুরুর সময়ে বিদ্যালয়ের দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থানে বার বার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করলেও তারা নির্মান কাজটি করেননি। বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক গৌতম হাওলাদার বলেন, বিদ্যালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পরে আমি পটুয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অনেক বার যোগাযোগ করেও কোন ফলপ্রসূ হয়নি।

বিদ্যালয়ে ভবন নির্মান না হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষ কম থাকার পরেও নির্মান কাজের স্বার্থে বিদ্যালয় ভবনের একটি কক্ষ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করতে দিলে সাড়ে ছয় বছর পর্যন্ত কাজের অজুহাতে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। নির্মান ভবনের মধ্যে বৃষ্টির দিনে স্থানীয়রা মাছের চাষাবাদ করে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ২৪৫ জন শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম সঠিক ভাবে পরিচালনা জন্য নতুন ভবন নির্মানের জন্য উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্মানাধীন ভবন সম্পর্কীত বিষয়ে আমি অবহিত নই। বিষয়টি সম্পর্কে আমি বিস্তারিত জেনে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব। নির্মানাধীন ভবনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া মোবাইল নম্বরে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদেরকে ফোনে পাওয়া সম্ভব হয়নি। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, পটুয়াখালীর চলতি দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল কবির মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটিকে বার বার কাজের জন্য চিঠি দিলেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। নির্মানাধীন ভবনটির জন্য বিধিমোতাবেক পুন:রায় টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে আয়রন ডোমের মিসাইল তৈরির পরিকল্পনা ইসরায়েলের

দুমকিতে সাড়ে ছয় বছরেও নির্মান কাজ শেষ হয়নি জলিশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন- শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

প্রকাশিত : ০৪:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

দুমকী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের জলিশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের নির্মান কাজ সাড়ে ছয় বছরেও শেষ হয়নি।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানা যায় ২০২০ সালে ৩রা মার্চ মোঃ হাদিউস জামান নির্বাহী প্রকৌশলী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর পটুয়াখালী কর্তৃক স্বাক্ষরিত পত্রে নির্মান কাজের ব্যয় ৮০লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার কাজটি পটুয়াখালীর টাউন কালিকাপুরের মেসার্স হাসান এন্ড ব্রাদার্স ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যালয়ের নির্মান কাজ শুরু করেন। ২০২০ সালের পর বিদ্যালয়ের নির্মান কাজের ভিম থেকে ৫/ ৬ফুটের মত কলম তুলে কাজটি আর সামনে অগ্রসর হয়নি। যার টেন্ডার আইডি নং- ৩৭০১৫৮। বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মার্জিয়া তাবাচ্ছুম অনন্যা জানান, বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে নতুন ভবনের কাজ শুরু হতে দেখে খুব আনন্দিত হয়েছিলাম কিন্তু দুখের বিষয় বিদ্যালয় থেকে বিদায় নেওয়ার সময়ও নতুন ভবনে ক্লাস করে যেতে পারব না। ভবন না থাকায় আমাদের শ্রেণি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে কাজ শুরুর সময়ে বিদ্যালয়ের দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থানে বার বার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করলেও তারা নির্মান কাজটি করেননি। বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক গৌতম হাওলাদার বলেন, বিদ্যালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পরে আমি পটুয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অনেক বার যোগাযোগ করেও কোন ফলপ্রসূ হয়নি।

বিদ্যালয়ে ভবন নির্মান না হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষ কম থাকার পরেও নির্মান কাজের স্বার্থে বিদ্যালয় ভবনের একটি কক্ষ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করতে দিলে সাড়ে ছয় বছর পর্যন্ত কাজের অজুহাতে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। নির্মান ভবনের মধ্যে বৃষ্টির দিনে স্থানীয়রা মাছের চাষাবাদ করে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ২৪৫ জন শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম সঠিক ভাবে পরিচালনা জন্য নতুন ভবন নির্মানের জন্য উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্মানাধীন ভবন সম্পর্কীত বিষয়ে আমি অবহিত নই। বিষয়টি সম্পর্কে আমি বিস্তারিত জেনে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব। নির্মানাধীন ভবনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া মোবাইল নম্বরে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদেরকে ফোনে পাওয়া সম্ভব হয়নি। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, পটুয়াখালীর চলতি দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল কবির মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটিকে বার বার কাজের জন্য চিঠি দিলেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। নির্মানাধীন ভবনটির জন্য বিধিমোতাবেক পুন:রায় টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।