ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

ইরান যুদ্ধে মার্কিন ‘প্রায় সব’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা শেষ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:২০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারসেপ্টরের মজুত বিপজ্জনক মাত্রায় কমে গেছে। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের থাড অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যুদ্ধের আগের সময়ের মজুতের প্রায় ৮০ শতাংশ এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ৫০ শতাংশ ব্যবহার করে ফেলেছে।

এর আগের এক প্রতিবেদনে সিএনএন বলেছিল, যুদ্ধের শুরুর দিকে গত এপ্রিলে মার্কিন সামরিক বাহিনী টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। দেশটির একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন এই সংবাদমাধ্যম বলেছে, প্রতিরক্ষা গোলাবারুদের এই ঘাটতিই ছিল অন্যতম প্রধান কারণ, যার ওপর ভিত্তি করে উপদেষ্টারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গত সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলা স্থগিত রাখতে রাজি করান।

তবে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর চাপের মুখে ট্রাম্প ওই হামলা স্থগিত করেছিলেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জনবান্ধব পুলিশিংয়ে বদলে যাচ্ছে নলছিটি থানা, প্রশংসায় ওসি তৌহিদুজ্জামান

ইরান যুদ্ধে মার্কিন ‘প্রায় সব’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা শেষ

প্রকাশিত : ০৮:২০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারসেপ্টরের মজুত বিপজ্জনক মাত্রায় কমে গেছে। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের থাড অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যুদ্ধের আগের সময়ের মজুতের প্রায় ৮০ শতাংশ এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ৫০ শতাংশ ব্যবহার করে ফেলেছে।

এর আগের এক প্রতিবেদনে সিএনএন বলেছিল, যুদ্ধের শুরুর দিকে গত এপ্রিলে মার্কিন সামরিক বাহিনী টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। দেশটির একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন এই সংবাদমাধ্যম বলেছে, প্রতিরক্ষা গোলাবারুদের এই ঘাটতিই ছিল অন্যতম প্রধান কারণ, যার ওপর ভিত্তি করে উপদেষ্টারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গত সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলা স্থগিত রাখতে রাজি করান।

তবে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর চাপের মুখে ট্রাম্প ওই হামলা স্থগিত করেছিলেন।