ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে পিরোজপুরে দলিল লেখক সমিতির মতবিনিময়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:২৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

পিরোজপুর প্রতিনিধি: বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পিরোজপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় দলিল লেখকদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে দ্রুত দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা হয়।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় পিরোজপুর শহরের নাইয়োরি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি, পিরোজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম আখন্দ। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও বরিশাল বিভাগের উপদেষ্টা মো. জাকির হোসেন মিনু।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব, বরিশাল বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক ও পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. মিজানুর রহমান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম মহাসচিব, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও পিরোজপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মুকুলে আজম লিটন।
সভায় বক্তারা বলেন, দলিল লেখকরা দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের পাশাপাশি দলিল লেখকদের পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। সংগঠনের ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

সভায় মো. মিজানুর রহমান দলিল লেখক সমিতির ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো—
১. পেশা সুরক্ষা: দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না।
২. সম্মানী বৃদ্ধি: দলিলপ্রতি ন্যূনতম ৪ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. একচেটিয়া অধিকার: লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কেউ দলিল লিখতে বা মুসাবিদা করতে পারবেন না—এ মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
৪. সুযোগ-সুবিধা: থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার স্থান ও নামাজের স্থান নির্মাণ করে দিতে হবে।
৫. আইনি সুরক্ষা: মক্কেল বা পক্ষগণের সরবরাহ করা কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল লেখার কারণে মুসাবিদাকারক হিসেবে দলিল লেখকদের কোনো মামলায় আসামি করা যাবে না।
৬. লাইসেন্স প্রদান: দলিল লেখক সমিতির থানা ও জেলা কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোনো অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নতুন লাইসেন্স দেওয়া যাবে না।
৭. কাউন্সিল গঠন: স্বতন্ত্র একটি ‘দলিল লেখক কাউন্সিল’ গঠনের অনুমতি প্রদান করতে হবে।

বক্তারা বলেন, দলিল লেখকদের পেশাগত নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক ও কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান জানান তারা।
মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির বরিশাল বিভাগ ও পিরোজপুর জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং জেলার বিভিন্ন এলাকার দলিল লেখকরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোমে বিমানের ভেতর ৭ ঘণ্টা ধরে আটকা আড়াই শতাধিক যাত্রী

৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে পিরোজপুরে দলিল লেখক সমিতির মতবিনিময়

প্রকাশিত : ০৭:২৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

পিরোজপুর প্রতিনিধি: বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পিরোজপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় দলিল লেখকদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে দ্রুত দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা হয়।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় পিরোজপুর শহরের নাইয়োরি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি, পিরোজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম আখন্দ। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও বরিশাল বিভাগের উপদেষ্টা মো. জাকির হোসেন মিনু।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব, বরিশাল বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক ও পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. মিজানুর রহমান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম মহাসচিব, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও পিরোজপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মুকুলে আজম লিটন।
সভায় বক্তারা বলেন, দলিল লেখকরা দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের পাশাপাশি দলিল লেখকদের পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। সংগঠনের ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

সভায় মো. মিজানুর রহমান দলিল লেখক সমিতির ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো—
১. পেশা সুরক্ষা: দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না।
২. সম্মানী বৃদ্ধি: দলিলপ্রতি ন্যূনতম ৪ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. একচেটিয়া অধিকার: লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কেউ দলিল লিখতে বা মুসাবিদা করতে পারবেন না—এ মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
৪. সুযোগ-সুবিধা: থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার স্থান ও নামাজের স্থান নির্মাণ করে দিতে হবে।
৫. আইনি সুরক্ষা: মক্কেল বা পক্ষগণের সরবরাহ করা কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল লেখার কারণে মুসাবিদাকারক হিসেবে দলিল লেখকদের কোনো মামলায় আসামি করা যাবে না।
৬. লাইসেন্স প্রদান: দলিল লেখক সমিতির থানা ও জেলা কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোনো অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নতুন লাইসেন্স দেওয়া যাবে না।
৭. কাউন্সিল গঠন: স্বতন্ত্র একটি ‘দলিল লেখক কাউন্সিল’ গঠনের অনুমতি প্রদান করতে হবে।

বক্তারা বলেন, দলিল লেখকদের পেশাগত নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক ও কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান জানান তারা।
মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির বরিশাল বিভাগ ও পিরোজপুর জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং জেলার বিভিন্ন এলাকার দলিল লেখকরা উপস্থিত ছিলেন।