ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

২৫ কোটি গাছ রেখে যেতে চাই চট্টগ্রামে: বন প্রতিমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:১০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির হাজারিখিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি বন সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে হাজারিখিল অভয়ারণ্য পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে ২৩ লাখ ৫৫ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতে গাছের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা চট্টগ্রামে পাঁচ বছর পর ২৫ কোটি গাছ রেখে যেতে চাই।

বনায়নের পাশাপাশি বনভূমি রক্ষা ও অবৈধ দখলমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে- এমন কোনো কাজ হলে তা বরদাস্ত করা হবে না। বন বিভাগ যেসব জায়গা দখলমুক্ত করতে কাজ করছে, সেখানেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বন উজাড় ও গাছ পাচারের মতো কর্মকাণ্ড পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্টদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। বন রক্ষার পাশাপাশি নতুন করে বৃক্ষরোপণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

এ সময় শিপইয়ার্ডে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, শিপইয়ার্ডে মৃত্যু দুঃখজনক। এটি ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প। যারা এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন, তাদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তাহলে আমরা এ ধরনের দুর্ঘটনা থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পেতে পারি।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহীম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এবং বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

২৫ কোটি গাছ রেখে যেতে চাই চট্টগ্রামে: বন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৯:১০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির হাজারিখিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি বন সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে হাজারিখিল অভয়ারণ্য পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে ২৩ লাখ ৫৫ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতে গাছের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা চট্টগ্রামে পাঁচ বছর পর ২৫ কোটি গাছ রেখে যেতে চাই।

বনায়নের পাশাপাশি বনভূমি রক্ষা ও অবৈধ দখলমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে- এমন কোনো কাজ হলে তা বরদাস্ত করা হবে না। বন বিভাগ যেসব জায়গা দখলমুক্ত করতে কাজ করছে, সেখানেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বন উজাড় ও গাছ পাচারের মতো কর্মকাণ্ড পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্টদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। বন রক্ষার পাশাপাশি নতুন করে বৃক্ষরোপণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

এ সময় শিপইয়ার্ডে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, শিপইয়ার্ডে মৃত্যু দুঃখজনক। এটি ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প। যারা এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন, তাদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তাহলে আমরা এ ধরনের দুর্ঘটনা থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পেতে পারি।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহীম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এবং বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।