ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌর বিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক-কর মাত্র ১ শতাংশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

দেশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে বড় ধরনের শুল্ক-কর ছাড় দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান মোট করভার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ১ শতাংশ করা হয়েছে। আগে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য এ সুবিধা প্রযোজ্য না থাকলেও এখন শর্তসাপেক্ষে তারাও এ সুবিধার আওতায় এসেছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনবিআর থেকে ইস্যু করা প্রজ্ঞাপন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। যা ১৮০ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এনবিআর জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে গত ৮ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির গুরুত্বপূর্ণ উৎস সৌর বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক ও আগাম কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে এসব উপকরণ আমদানিতে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এবং ২ শতাংশ অগ্রিম আয়করসহ মোট করভার ছিল ১৭ শতাংশ। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রেক্ষাপটে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ সুবিধা আরও বাড়ানো হয়েছে।

উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান মোট করভার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ১ শতাংশ করা হয়েছে। আগে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য এ সুবিধা প্রযোজ্য না থাকলেও এখন শর্তসাপেক্ষে তারাও এ সুবিধার আওতায় এসেছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনবিআর থেকে ইস্যু করা প্রজ্ঞাপন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। যা ১৮০ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এনবিআর জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে গত ৮ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির গুরুত্বপূর্ণ উৎস সৌর বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক ও আগাম কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে এসব উপকরণ আমদানিতে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এবং ২ শতাংশ অগ্রিম আয়করসহ মোট করভার ছিল ১৭ শতাংশ। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রেক্ষাপটে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ সুবিধা আরও বাড়ানো হয়েছে।

নতুন সুবিধার আওতায় সৌর বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি এবং সমুদয় রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূসক, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এসব উপকরণ আমদানিতে মোট করভার দাঁড়াবে মাত্র ১ শতাংশ।

এ বিষয় এনবিআর জানিয়েছে, আগে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে এ সুবিধা প্রযোজ্য ছিল না। নতুন সিদ্ধান্তে শর্তসাপেক্ষে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদেরও এ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। অর্থাৎ সৌর বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট উপকরণ আমদানিতে বাণিজ্যিক আমদানিকারকরাও ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি এবং রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূসক, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি পাবেন।

এনবিআরের মনে করে, শুল্ক-কর সুবিধা বাড়ানোর ফলে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যয় কমবে। একই সঙ্গে দেশে নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়লে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে বলেও জানিয়েছে এনবিআর। যার মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।

 

সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতির উদ্যোগ

সৌর বিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক-কর মাত্র ১ শতাংশ

প্রকাশিত : ১২:০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে বড় ধরনের শুল্ক-কর ছাড় দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান মোট করভার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ১ শতাংশ করা হয়েছে। আগে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য এ সুবিধা প্রযোজ্য না থাকলেও এখন শর্তসাপেক্ষে তারাও এ সুবিধার আওতায় এসেছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনবিআর থেকে ইস্যু করা প্রজ্ঞাপন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। যা ১৮০ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এনবিআর জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে গত ৮ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির গুরুত্বপূর্ণ উৎস সৌর বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক ও আগাম কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে এসব উপকরণ আমদানিতে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এবং ২ শতাংশ অগ্রিম আয়করসহ মোট করভার ছিল ১৭ শতাংশ। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রেক্ষাপটে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ সুবিধা আরও বাড়ানো হয়েছে।

উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান মোট করভার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ১ শতাংশ করা হয়েছে। আগে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য এ সুবিধা প্রযোজ্য না থাকলেও এখন শর্তসাপেক্ষে তারাও এ সুবিধার আওতায় এসেছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনবিআর থেকে ইস্যু করা প্রজ্ঞাপন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। যা ১৮০ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এনবিআর জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে গত ৮ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির গুরুত্বপূর্ণ উৎস সৌর বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক ও আগাম কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে এসব উপকরণ আমদানিতে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এবং ২ শতাংশ অগ্রিম আয়করসহ মোট করভার ছিল ১৭ শতাংশ। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রেক্ষাপটে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ সুবিধা আরও বাড়ানো হয়েছে।

নতুন সুবিধার আওতায় সৌর বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি এবং সমুদয় রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূসক, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এসব উপকরণ আমদানিতে মোট করভার দাঁড়াবে মাত্র ১ শতাংশ।

এ বিষয় এনবিআর জানিয়েছে, আগে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে এ সুবিধা প্রযোজ্য ছিল না। নতুন সিদ্ধান্তে শর্তসাপেক্ষে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদেরও এ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। অর্থাৎ সৌর বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট উপকরণ আমদানিতে বাণিজ্যিক আমদানিকারকরাও ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি এবং রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূসক, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি পাবেন।

এনবিআরের মনে করে, শুল্ক-কর সুবিধা বাড়ানোর ফলে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যয় কমবে। একই সঙ্গে দেশে নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়লে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে বলেও জানিয়েছে এনবিআর। যার মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।