ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রহ্মপুত্রের তীর রক্ষা বাঁধের ৪ অংশে ২০০ মিটার ধস, আতঙ্কে গ্রামবাসী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:২৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান পাশে কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারী এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে তীর রক্ষা বাঁধের একাধিক স্থানে ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। এতে বাঁধের কংক্রিট ব্লক ও জিও ব্যাগ নদীতে বিলীন হচ্ছে। ফলে ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চরম আতঙ্কে রয়েছেন ওই দুই এলাকার বাসিন্দারা।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে চিলমারী উপজেলার কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারী এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে নির্মিত বাঁধের প্রায় ৩৫ মিটারেরও বেশি অংশে নতুন করে ধস দেখা দেয়। এ নিয়ে বাঁধটির চারটি স্থানে প্রায় ২০০ মিটারের মতো অংশজুড়ে ফাটল ও ধস নামল। এর আগে গত এক সপ্তাহে কাছাকাছি আরও দুটি স্থানে ফাটল ও ধসের একই চিত্র দেখা গিয়েছিল।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ তীরবর্তী কাঁচকোল বাজার থেকে পুঁটিমারী পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিটার অংশের মধ্যে চারটি স্থানে এই ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। এ কারণে পুরো ৬০০ মিটার অংশই এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এর আগে গত ১, ১৬ ও ২০ জুলাই একই বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দেওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয় পাউবো। তবে দুই মাস পার হতে না হতেই আবারও বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ধস দেখা দেওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আজ শুক্রবার দুপুরে ধসের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পাউবো রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরুর আশ্বাস দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধসের কারণে বাঁধের কংক্রিটের ব্লক ও জিও ব্যাগ নদে ধসে পড়ছে। দ্রুত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তীরবর্তী ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, প্রায় ৬০০ মিটার এলাকার চারটি স্থানে ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মেরামতকাজের অনুমোদনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পাওয়া গেলেই স্থায়ী কাজ শুরু হবে। তবে আপাতত জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ওসির যোগসাজশে বদলির পরও চার্জশিট দিলেন এসআই, তদন্ত করছে পুলিশ

ব্রহ্মপুত্রের তীর রক্ষা বাঁধের ৪ অংশে ২০০ মিটার ধস, আতঙ্কে গ্রামবাসী

প্রকাশিত : ১১:২৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান পাশে কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারী এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে তীর রক্ষা বাঁধের একাধিক স্থানে ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। এতে বাঁধের কংক্রিট ব্লক ও জিও ব্যাগ নদীতে বিলীন হচ্ছে। ফলে ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চরম আতঙ্কে রয়েছেন ওই দুই এলাকার বাসিন্দারা।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে চিলমারী উপজেলার কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারী এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে নির্মিত বাঁধের প্রায় ৩৫ মিটারেরও বেশি অংশে নতুন করে ধস দেখা দেয়। এ নিয়ে বাঁধটির চারটি স্থানে প্রায় ২০০ মিটারের মতো অংশজুড়ে ফাটল ও ধস নামল। এর আগে গত এক সপ্তাহে কাছাকাছি আরও দুটি স্থানে ফাটল ও ধসের একই চিত্র দেখা গিয়েছিল।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ তীরবর্তী কাঁচকোল বাজার থেকে পুঁটিমারী পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিটার অংশের মধ্যে চারটি স্থানে এই ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। এ কারণে পুরো ৬০০ মিটার অংশই এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এর আগে গত ১, ১৬ ও ২০ জুলাই একই বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দেওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয় পাউবো। তবে দুই মাস পার হতে না হতেই আবারও বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ধস দেখা দেওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আজ শুক্রবার দুপুরে ধসের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পাউবো রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরুর আশ্বাস দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধসের কারণে বাঁধের কংক্রিটের ব্লক ও জিও ব্যাগ নদে ধসে পড়ছে। দ্রুত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তীরবর্তী ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, প্রায় ৬০০ মিটার এলাকার চারটি স্থানে ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মেরামতকাজের অনুমোদনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পাওয়া গেলেই স্থায়ী কাজ শুরু হবে। তবে আপাতত জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।