ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সরকারের প্রধান তিন কাজ- গণহত্যার বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০২:৪৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৩৭৯ বার দেখা হয়েছে

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ- গণহত্যার বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। আর আইন উপদেষ্টা হিসেবে আমার প্রধান কাজ গণহত্যার বিচার করা।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত গুম-খুন থেকে গণহত্যার বিচার চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছিল না, তদন্ত কর্মকর্তা ছিল না। এক সপ্তাহের মধ্যে প্রসিকিউশন টিম করা হয়েছে। তড়িঘড়ি করে বিচার করে বিচারকে প্রশ্নের মুখে ফেলা যাবে না। বিচার নিয়ে কোনও গাফিলতি হবে না, নিশ্চিত করে বলতে চাই। বিচার প্রক্রিয়ায় কোনও দেরি হচ্ছে না।

আসিফ নজরুল বলেন, মামলার শুনানির সময় ও আসামিদের হাতকড়া না পড়ানো নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে এখন। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের সময় আসামিদের আইনজীবী যিনি ছিলেন, তিনি বলেছেন শুনানির জন্য সে সময় ৩ মাস দেয়া হয়েছিল। এখন শুধু ১ মাস দেয়া হয়েছে। তখন আসামিদের কাউকে হাতকড়া পড়ানো হয়নি, এখনও আসামিদের হাতকড়া পড়ানো হচ্ছে না।

নিয়ম অমান্য করলে ডিএসসিসি নোটিশ-জরিমানার ব্যবস্থা করবে

সরকারের প্রধান তিন কাজ- গণহত্যার বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন

প্রকাশিত : ০২:৪৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ- গণহত্যার বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। আর আইন উপদেষ্টা হিসেবে আমার প্রধান কাজ গণহত্যার বিচার করা।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত গুম-খুন থেকে গণহত্যার বিচার চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছিল না, তদন্ত কর্মকর্তা ছিল না। এক সপ্তাহের মধ্যে প্রসিকিউশন টিম করা হয়েছে। তড়িঘড়ি করে বিচার করে বিচারকে প্রশ্নের মুখে ফেলা যাবে না। বিচার নিয়ে কোনও গাফিলতি হবে না, নিশ্চিত করে বলতে চাই। বিচার প্রক্রিয়ায় কোনও দেরি হচ্ছে না।

আসিফ নজরুল বলেন, মামলার শুনানির সময় ও আসামিদের হাতকড়া না পড়ানো নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে এখন। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের সময় আসামিদের আইনজীবী যিনি ছিলেন, তিনি বলেছেন শুনানির জন্য সে সময় ৩ মাস দেয়া হয়েছিল। এখন শুধু ১ মাস দেয়া হয়েছে। তখন আসামিদের কাউকে হাতকড়া পড়ানো হয়নি, এখনও আসামিদের হাতকড়া পড়ানো হচ্ছে না।