ইতালিতে দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভাষা শিক্ষা, নাগরিক শিক্ষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশটির অভিবাসন আইনের ২৩ নম্বর অনুচ্ছেদ (আর্টিকেল ২৩) অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলোতে বিদেশি কর্মীদের জন্য এসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ রয়েছে।
এর মাধ্যমে ইতালির শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মী তৈরি এবং বৈধ অভিবাসনের পথ সহজ করাই লক্ষ্য। বাংলাদেশের কর্মীদের জন্যও এই ব্যবস্থায় ইতালিতে কাজের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে অনুমোদিত প্রি-ডিপারচার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট শর্তে প্রচলিত কর্মী নিয়োগের কোটা ব্যবস্থার বাইরে ইতালিতে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারেন।
২০২৩ সালে ইতালির শ্রম ও সামাজিক নীতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের, অভিবাসন ও সংহতি নীতিবিষয়ক মহাপরিচালকের দপ্তর আর্টিকেল ২৩-এর আওতায় পেশাগত এবং ভাষা ও নাগরিক শিক্ষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশিকা প্রণয়ন করে।
২০২৩ সালের ৭ জুলাই নির্দেশিকাটি গৃহীত হয়। এতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন, প্রকল্প মূল্যায়ন এবং অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা যাচাইয়ের মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, এসব প্রশিক্ষণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের এক বা একাধিক দেশে পরিচালনা করতে হবে। প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো, ইতালির শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট খাতের চাহিদা অনুযায়ী বিদেশি কর্মীদের দক্ষ করে তোলা।
প্রশিক্ষণে ইতালীয় ভাষার পাশাপাশি দেশটির সংবিধানের মৌলিক নীতি, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামো ও কার্যক্রম এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। ভাষা প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের কমপক্ষে (এ১) পর্যায়ের দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
পেশাগত প্রশিক্ষণে নির্দিষ্ট কাজের দক্ষতা, কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, শ্রমিকদের অধিকার, সংশ্লিষ্ট পেশার পরিভাষা এবং চাকরি খোঁজার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক উভয় ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















