পটুয়াখালী প্রতিনিধি: বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীতে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জেলা বিএনপির কার্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দলীয় কর্মসূচির সূচনা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটনসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ। পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে কার্যালয় প্রাঙ্গণ।
দিবসটি উপলক্ষে দুপুরে জেলা বিএনপির দুটি পৃথক বলয়ের উদ্যোগে শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রা দুটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৃথক স্থানে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এর মধ্যে পৌর শহরের ঝাউতলা এলাকা থেকে পটুয়াখালী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী সমর্থিত বিএনপির একটি অংশের শোভাযাত্রা বের হয়। মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না মিয়ার নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেরেবাংলা সড়কের সুরাইয়া ভিলার সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
অন্যদিকে, শহরের পিডিএস ময়দান থেকে জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটনের নেতৃত্বে অপর একটি বিশাল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে লঞ্চঘাট প্রাঙ্গণে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এদিকে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমি, তাৎপর্য ও গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলা হয়।
দিনব্যাপী এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















