ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চসিক মেয়রের আহ্বান ৩ খাতে বরাদ্দ বাড়াতে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:২৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৯৬ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন ও নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে জনগণকে আরও সচেতন করতে হবে। এই তিনটি উপাদানই একটি সুস্থ সমাজের মূল ভিত্তি। তাই সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের বাজেটে এ খাতগুলোর বরাদ্দ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সঠিকভাবে হাত পরিষ্কার না করলে ডায়রিয়া, টাইফয়েডসহ নানা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। আমাদের মনে রাখতে হবে, হাত হলো রোগজীবাণু বহনের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম। তাই খাওয়ার আগে, টয়লেট ব্যবহারের পর, এবং অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার পর অবশ্যই সাবান ও বিশুদ্ধ পানি দিয়ে হাত ধোয়া জরুরি।

মেয়র আরও বলেন, করোনার সময় আমরা হাত ধোয়ার বিষয়ে সচেতন ছিলাম, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে অনেকেই সেই অভ্যাস ভুলে যাচ্ছি। এখনই আমাদের সেই সচেতনতা ফিরিয়ে আনতে হবে। শিশুদের ছোটোবেলা থেকেই হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি শেখাতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, এবং গণপরিবহনসহ সব জায়গায় হাত ধোয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে ব্যক্তিগত এবং সামাজিকভাবে অসংখ্য রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। এটি একটি ছোট কাজ হলেও এর প্রভাব বিশাল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা) ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

মাদারীপুরে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আশরাফুর রহমান হাকিম, মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের কালকিনিতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব হোসেন মুন্সিসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা। সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, যানজট, বাজার ব্যবস্থাপনা, জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমসহ স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা ও সমন্বয়ের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি জনসাধারণের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

চসিক মেয়রের আহ্বান ৩ খাতে বরাদ্দ বাড়াতে

প্রকাশিত : ০৭:২৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন ও নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে জনগণকে আরও সচেতন করতে হবে। এই তিনটি উপাদানই একটি সুস্থ সমাজের মূল ভিত্তি। তাই সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের বাজেটে এ খাতগুলোর বরাদ্দ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সঠিকভাবে হাত পরিষ্কার না করলে ডায়রিয়া, টাইফয়েডসহ নানা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। আমাদের মনে রাখতে হবে, হাত হলো রোগজীবাণু বহনের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম। তাই খাওয়ার আগে, টয়লেট ব্যবহারের পর, এবং অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার পর অবশ্যই সাবান ও বিশুদ্ধ পানি দিয়ে হাত ধোয়া জরুরি।

মেয়র আরও বলেন, করোনার সময় আমরা হাত ধোয়ার বিষয়ে সচেতন ছিলাম, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে অনেকেই সেই অভ্যাস ভুলে যাচ্ছি। এখনই আমাদের সেই সচেতনতা ফিরিয়ে আনতে হবে। শিশুদের ছোটোবেলা থেকেই হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি শেখাতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, এবং গণপরিবহনসহ সব জায়গায় হাত ধোয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে ব্যক্তিগত এবং সামাজিকভাবে অসংখ্য রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। এটি একটি ছোট কাজ হলেও এর প্রভাব বিশাল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা) ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।