ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামে বাঁশখালী উপজেলার পরিত্যক্ত ভবনে মিলল অটোরিকশা চালকের মরদেহ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০২:০২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৭ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে মো. মামুন (২৮) নামে ব্যাটারিচালিত এক অটোরিকশার চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপুর বাজার এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মামুন একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিত্যক্ত ভবনের ভেতর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেন। পরে বাঁশখালী থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, মামুনের শরীরে একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে তা কিসের আঘাত, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক মহলের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ নেতা তারেক রহমান: হুমায়ূন কবির

চট্টগ্রামে বাঁশখালী উপজেলার পরিত্যক্ত ভবনে মিলল অটোরিকশা চালকের মরদেহ

প্রকাশিত : ০২:০২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে মো. মামুন (২৮) নামে ব্যাটারিচালিত এক অটোরিকশার চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপুর বাজার এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মামুন একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিত্যক্ত ভবনের ভেতর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেন। পরে বাঁশখালী থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, মামুনের শরীরে একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে তা কিসের আঘাত, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।