ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে থেকে বালু উত্তোলনের হিড়িক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:২১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫১ বার দেখা হয়েছে
 চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ  উপজেলার সাত্তার মোড়, জিলানী মোড় ও পাঁকা ঘাটে, পদ্মা  নদী থেকে  চলছে অবাধে বালু উত্তোলন। এ পরিস্থিতিতে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে শত শত  স্থাপনা ও ঘরবাড়ি।  হাজার হাজার হেক্টর  কৃষি জমি পদ্মা তে হারিয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বালু লুটের কারণে ইতিমধ্যেই ভাঙন দেখা  দিচ্ছে  এই বছর  বন্যার সময়  প্রায় দশ হাজার পরিবার  পানিবন্দী হয়ে পড়েছিল। গ্রামের মসজিদ-মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ  শতাধিক বসতভিটা হারিয়ে গেছে। স্থানীয় কৃষক অভিযোগ করে বলেন যে বালু  উত্তোলনের ফলে রাস্তার  ক্ষতি  হচ্ছে, আশেপাশের ফসল ও  নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এলাকা থেকে বালু তুলছে একটি প্রভাবশালী মহল। প্রতিদিনই নদীর বালু উত্তোলন করে  বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হচ্ছে।
লুট হওয়া বালু  ট্রাক্টরে করে বিক্রি করা হয় আশপাশে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে, বসতবাড়ি নির্মাণে বালুর ব্যবহার হয়, পুকুর ও ডোবাই  কাজে এই বালুর চাহিদা বেশি হওয়ায় প্রভাবশালী একটি মহল নদীর বালু বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।  তাই স্থানীয়দের জোরালো দাবি যে এই সিন্ডিকেট ভেঙ্গে বালু  উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। শিবগঞ্জ উপজেলা  নির্বাহী কর্মকর্তা  মোঃ আশিক  আহমেদ  বলেন  কেউ যেন পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন করতে না পারে সেই লক্ষ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

বামনার খোলপটুয়ায় বজ্রপাতে ১০ স্কুলছাত্রী আহত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে থেকে বালু উত্তোলনের হিড়িক

প্রকাশিত : ০৮:২১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
 চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ  উপজেলার সাত্তার মোড়, জিলানী মোড় ও পাঁকা ঘাটে, পদ্মা  নদী থেকে  চলছে অবাধে বালু উত্তোলন। এ পরিস্থিতিতে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে শত শত  স্থাপনা ও ঘরবাড়ি।  হাজার হাজার হেক্টর  কৃষি জমি পদ্মা তে হারিয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বালু লুটের কারণে ইতিমধ্যেই ভাঙন দেখা  দিচ্ছে  এই বছর  বন্যার সময়  প্রায় দশ হাজার পরিবার  পানিবন্দী হয়ে পড়েছিল। গ্রামের মসজিদ-মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ  শতাধিক বসতভিটা হারিয়ে গেছে। স্থানীয় কৃষক অভিযোগ করে বলেন যে বালু  উত্তোলনের ফলে রাস্তার  ক্ষতি  হচ্ছে, আশেপাশের ফসল ও  নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এলাকা থেকে বালু তুলছে একটি প্রভাবশালী মহল। প্রতিদিনই নদীর বালু উত্তোলন করে  বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হচ্ছে।
লুট হওয়া বালু  ট্রাক্টরে করে বিক্রি করা হয় আশপাশে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে, বসতবাড়ি নির্মাণে বালুর ব্যবহার হয়, পুকুর ও ডোবাই  কাজে এই বালুর চাহিদা বেশি হওয়ায় প্রভাবশালী একটি মহল নদীর বালু বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।  তাই স্থানীয়দের জোরালো দাবি যে এই সিন্ডিকেট ভেঙ্গে বালু  উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। শিবগঞ্জ উপজেলা  নির্বাহী কর্মকর্তা  মোঃ আশিক  আহমেদ  বলেন  কেউ যেন পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন করতে না পারে সেই লক্ষ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।