ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:৫৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাড়কাঁপানো শীতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত থমকে গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর, শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা।বুধবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে স্থানীয় প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। চলতি শীত মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন মোড়, বাসস্ট্যান্ড ও চায়ের দোকানের সামনে নিম্ন আয়ের মানুষদের জড়ো হতে দেখা গেছে। আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করার চেষ্টা করছেন তারা। অনেকের ভাষায়, প্রচণ্ড শীতের কারণে স্বাভাবিকভাবে কাজ করা এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।

তীব্র শীতের প্রভাব পড়েছে স্বাস্থ্য খাতেও। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বেড়েছে। চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের মধ্যে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ার মতো রোগের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে।শীতের কষ্টে বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরাও।

চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি

প্রকাশিত : ১২:৫৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাড়কাঁপানো শীতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত থমকে গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর, শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা।বুধবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে স্থানীয় প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। চলতি শীত মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন মোড়, বাসস্ট্যান্ড ও চায়ের দোকানের সামনে নিম্ন আয়ের মানুষদের জড়ো হতে দেখা গেছে। আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করার চেষ্টা করছেন তারা। অনেকের ভাষায়, প্রচণ্ড শীতের কারণে স্বাভাবিকভাবে কাজ করা এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।

তীব্র শীতের প্রভাব পড়েছে স্বাস্থ্য খাতেও। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বেড়েছে। চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের মধ্যে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ার মতো রোগের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে।শীতের কষ্টে বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরাও।